
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মাধবপুর উপজেলা ও পৌর শাখা। দলীয় নেতারা এসব প্রচারণাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মাধবপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি শামছুল ইসলাম কামাল ও পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি। এসময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, একটি মহল ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইউটিউব ও টিকটকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংসদ সদস্য ফয়সলের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। নেতাদের দাবি, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনের ১৮৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরী মোমবাতি প্রতীক নিয়ে পান ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট। প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ৭৪৯ ভোটের ব্যবধানকে তারা জনগণের সুস্পষ্ট রায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকালীন বা ফল ঘোষণার আগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়নি। অথচ গেজেট প্রকাশের পর পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য। তার পিতা মরহুম সৈয়দ সঈদ উদ্দিন এমএলএ ছিলেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
নেতারা অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ ও এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানান তারা। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান।
পরিশেষে বিএনপি নেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন ও মানহানিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় আইনগত সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















