ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, সাড়ে চার হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে সংকট Logo লাখাইয়ে সালিশ বৈঠকে তালাক ও টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে যুবকের ওপর হামলা Logo সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু Logo প্রবাসীর লাগেজ হোম ডেলিভারি না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo হাইমচরের চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল জ্ঞানের আলো সংগঠন Logo লাখাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে মামলার বাদী ও তাঁর পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগ Logo হাইমচরে ৫ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ বিএনপি নেতার Logo সিংহাগ্রামে অনাবৃষ্টি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া

নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সরকার প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলার খবর ডেস্ক:

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার দপ্তরে কমনওয়েলথ ইলেকটোরাল সাপোর্ট সেকশনের (ইএসএস) প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা জানান।

দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কমনওয়েলথের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ন্যান্সি কানিয়াগো। উপস্থিত ছিলেন ইএসএস এক্সিকিউটিভ অফিসার ম্যাডোনা লিঞ্চ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কমনওয়েলথ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনমুখী এবং এজন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় আট লাখ সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর ৮০ হাজার সদস্য মাঠে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া দেওয়া হচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিটি জেলায় ‘নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ স্থাপন করা হবে এবং কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও বডি ওর্ণ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনে গণমাধ্যম অবাধে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক দলকে অনুমতি দেওয়া হবে। নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে।

কমনওয়েলথ প্রতিনিধি ন্যান্সি কানিয়াগো বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই কমনওয়েলথ পরিবারের অংশ। বাংলাদেশ আমন্ত্রণ জানালে নির্বাচন পর্যবেক্ষক গ্রুপ পাঠানো হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, “নির্বাচন পরিচালনায় আমাদের বাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমনওয়েলথ চাইলে সিসিটিভি ও নির্বাচন সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করতে পারে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ অবাধে, নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, সাড়ে চার হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে সংকট

error:

নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সরকার প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার দপ্তরে কমনওয়েলথ ইলেকটোরাল সাপোর্ট সেকশনের (ইএসএস) প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা জানান।

দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কমনওয়েলথের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ন্যান্সি কানিয়াগো। উপস্থিত ছিলেন ইএসএস এক্সিকিউটিভ অফিসার ম্যাডোনা লিঞ্চ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কমনওয়েলথ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনমুখী এবং এজন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় আট লাখ সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর ৮০ হাজার সদস্য মাঠে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া দেওয়া হচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিটি জেলায় ‘নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ স্থাপন করা হবে এবং কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও বডি ওর্ণ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনে গণমাধ্যম অবাধে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক দলকে অনুমতি দেওয়া হবে। নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে।

কমনওয়েলথ প্রতিনিধি ন্যান্সি কানিয়াগো বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই কমনওয়েলথ পরিবারের অংশ। বাংলাদেশ আমন্ত্রণ জানালে নির্বাচন পর্যবেক্ষক গ্রুপ পাঠানো হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, “নির্বাচন পরিচালনায় আমাদের বাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমনওয়েলথ চাইলে সিসিটিভি ও নির্বাচন সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করতে পারে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ অবাধে, নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবে।”