ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

বাহুবলে করাঙ্গী নদীর ভাঙনে এলজিইডির রাস্তা হুমকির মুখে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

হাবিবুর রহমান নোমান-বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ করাঙ্গী নদীর তীরে নির্মিত এলজিইডির একটি সড়ক ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বাহুবল বাজার থেকে পূর্ব বাহুবলমুখী এই সড়কটির একাংশ ভেঙে পড়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত ৮-১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ইছাকপুর, জয়নাবাদ, মৌড়ী, পুরাতন মৌড়ী, রামপুর, টিলাবাড়ী, ফয়জাবাদসহ একাধিক গ্রামের প্রায় ৮-১০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের প্রধান রুট এই পথটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এখন রাস্তার একপাশ নদীতে ধসে পড়েছে। প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে পুরো রাস্তা নদীতে চলে যাবে।”

গৃহিণী রহিমা খাতুনের অভিযোগ, “বাজারে যাওয়া, স্কুল-কলেজে যাওয়া, হাসপাতালে রোগী নেওয়া—সব কিছুতেই এই রাস্তা আমাদের ভরসা। কিন্তু এখন রাস্তাটা খুব ভয়ংকর অবস্থায় আছে। রাতের বেলা চলাচল করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

সিএনজি চালক মনির মিয়া জানান, “আমাদের জীবিকা এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাস্তার অবস্থার কারণে যাত্রীরা ঝুঁকি নিতে চায় না। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হয়তো রাস্তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সাব-ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে বিষয়টি দেখতেছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে করাঙ্গী নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক সংস্কার করা জরুরি। নাহলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সংকট দেখা দেবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

বাহুবলে করাঙ্গী নদীর ভাঙনে এলজিইডির রাস্তা হুমকির মুখে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় ০৫:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাবিবুর রহমান নোমান-বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ করাঙ্গী নদীর তীরে নির্মিত এলজিইডির একটি সড়ক ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বাহুবল বাজার থেকে পূর্ব বাহুবলমুখী এই সড়কটির একাংশ ভেঙে পড়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত ৮-১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ইছাকপুর, জয়নাবাদ, মৌড়ী, পুরাতন মৌড়ী, রামপুর, টিলাবাড়ী, ফয়জাবাদসহ একাধিক গ্রামের প্রায় ৮-১০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের প্রধান রুট এই পথটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এখন রাস্তার একপাশ নদীতে ধসে পড়েছে। প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে পুরো রাস্তা নদীতে চলে যাবে।”

গৃহিণী রহিমা খাতুনের অভিযোগ, “বাজারে যাওয়া, স্কুল-কলেজে যাওয়া, হাসপাতালে রোগী নেওয়া—সব কিছুতেই এই রাস্তা আমাদের ভরসা। কিন্তু এখন রাস্তাটা খুব ভয়ংকর অবস্থায় আছে। রাতের বেলা চলাচল করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

সিএনজি চালক মনির মিয়া জানান, “আমাদের জীবিকা এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাস্তার অবস্থার কারণে যাত্রীরা ঝুঁকি নিতে চায় না। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হয়তো রাস্তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সাব-ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে বিষয়টি দেখতেছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে করাঙ্গী নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক সংস্কার করা জরুরি। নাহলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সংকট দেখা দেবে।