ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

বাহুবলে করাঙ্গী নদীর ভাঙনে এলজিইডির রাস্তা হুমকির মুখে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

হাবিবুর রহমান নোমান-বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ করাঙ্গী নদীর তীরে নির্মিত এলজিইডির একটি সড়ক ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বাহুবল বাজার থেকে পূর্ব বাহুবলমুখী এই সড়কটির একাংশ ভেঙে পড়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত ৮-১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ইছাকপুর, জয়নাবাদ, মৌড়ী, পুরাতন মৌড়ী, রামপুর, টিলাবাড়ী, ফয়জাবাদসহ একাধিক গ্রামের প্রায় ৮-১০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের প্রধান রুট এই পথটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এখন রাস্তার একপাশ নদীতে ধসে পড়েছে। প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে পুরো রাস্তা নদীতে চলে যাবে।”

গৃহিণী রহিমা খাতুনের অভিযোগ, “বাজারে যাওয়া, স্কুল-কলেজে যাওয়া, হাসপাতালে রোগী নেওয়া—সব কিছুতেই এই রাস্তা আমাদের ভরসা। কিন্তু এখন রাস্তাটা খুব ভয়ংকর অবস্থায় আছে। রাতের বেলা চলাচল করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

সিএনজি চালক মনির মিয়া জানান, “আমাদের জীবিকা এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাস্তার অবস্থার কারণে যাত্রীরা ঝুঁকি নিতে চায় না। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হয়তো রাস্তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সাব-ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে বিষয়টি দেখতেছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে করাঙ্গী নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক সংস্কার করা জরুরি। নাহলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সংকট দেখা দেবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

বাহুবলে করাঙ্গী নদীর ভাঙনে এলজিইডির রাস্তা হুমকির মুখে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় ০৫:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাবিবুর রহমান নোমান-বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ করাঙ্গী নদীর তীরে নির্মিত এলজিইডির একটি সড়ক ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বাহুবল বাজার থেকে পূর্ব বাহুবলমুখী এই সড়কটির একাংশ ভেঙে পড়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত ৮-১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ইছাকপুর, জয়নাবাদ, মৌড়ী, পুরাতন মৌড়ী, রামপুর, টিলাবাড়ী, ফয়জাবাদসহ একাধিক গ্রামের প্রায় ৮-১০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের প্রধান রুট এই পথটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। এখন রাস্তার একপাশ নদীতে ধসে পড়েছে। প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে পুরো রাস্তা নদীতে চলে যাবে।”

গৃহিণী রহিমা খাতুনের অভিযোগ, “বাজারে যাওয়া, স্কুল-কলেজে যাওয়া, হাসপাতালে রোগী নেওয়া—সব কিছুতেই এই রাস্তা আমাদের ভরসা। কিন্তু এখন রাস্তাটা খুব ভয়ংকর অবস্থায় আছে। রাতের বেলা চলাচল করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

সিএনজি চালক মনির মিয়া জানান, “আমাদের জীবিকা এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাস্তার অবস্থার কারণে যাত্রীরা ঝুঁকি নিতে চায় না। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হয়তো রাস্তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সাব-ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে বিষয়টি দেখতেছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে করাঙ্গী নদীর ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক সংস্কার করা জরুরি। নাহলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনেও মারাত্মক সংকট দেখা দেবে।