ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন Logo লাখাইয়ে ৭৩৩ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনার অর্থ বিতরণ Logo লাখাইয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ Logo মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে দিনব্যাপী অভিযান, ড্রেজার-বেকো-পাইপ ধ্বংস Logo মাধবপুরের কৃষকপুত্র আশেক মিয়ার বিসিএস জয়, শিক্ষা ক্যাডারে গেজেটভুক্ত Logo মাদক সেবনে বাবা-মাকে মারধর, যুবকের ৬ মাসের জেল Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনসারদের আবাসনে চরম দুর্ভোগ, তিন মাসেও মেলেনি ফ্যান Logo মাধবপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান Logo মাধবপুরের আব্দুল কাইয়ুমের ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সাফল্য Logo হবিগঞ্জে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ৮১৫ কোটি টাকার প্রকল্প: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন

সাইবার অপরাধ দমন, ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের ‘হল অব ইন্টেগ্রিটি’তে ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের ‘হল অব প্রাইড’-এ আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউনিটটির কাঠামো ও কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পরিবর্তনশীল অপরাধের ধরন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের সময়ে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই নতুন ইউনিটটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল হোসেনকে ইউনিটটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। থানাগুলোতেও সাইবারকেন্দ্রিক সেবা ও তদন্তের জন্য পৃথক এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পদায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ইউনিটটির মোট জনবল ৪ হাজার ৫৯২ জন নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউনিটটিতে সাইবার নিরাপত্তা, আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা, ডার্ক ওয়েব, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ম্যালওয়্যার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ যুক্ত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক বিশেষজ্ঞ নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশের আইটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরও অগ্রাধিকার দিয়ে পদায়নের কথা জানানো হয়েছে।

সাইবার অপরাধ তদন্তের সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামসমৃদ্ধ ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি স্থাপনের কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মানি লন্ডারিং, আর্থিক অপরাধ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক অপরাধ, গুজব, মাদক ও উগ্রবাদসহ প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় এ ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত সাইবার তদন্ত কার্যক্রমকে সমন্বিত করে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যেই নতুন ইউনিটের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Enamul Haq Shipon

সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন

error:

সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন

আপডেট সময় ০৯:০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

সাইবার অপরাধ দমন, ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের ‘হল অব ইন্টেগ্রিটি’তে ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের ‘হল অব প্রাইড’-এ আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউনিটটির কাঠামো ও কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পরিবর্তনশীল অপরাধের ধরন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের সময়ে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই নতুন ইউনিটটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল হোসেনকে ইউনিটটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। থানাগুলোতেও সাইবারকেন্দ্রিক সেবা ও তদন্তের জন্য পৃথক এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পদায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ইউনিটটির মোট জনবল ৪ হাজার ৫৯২ জন নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউনিটটিতে সাইবার নিরাপত্তা, আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা, ডার্ক ওয়েব, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ম্যালওয়্যার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ যুক্ত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক বিশেষজ্ঞ নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশের আইটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরও অগ্রাধিকার দিয়ে পদায়নের কথা জানানো হয়েছে।

সাইবার অপরাধ তদন্তের সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামসমৃদ্ধ ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি স্থাপনের কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মানি লন্ডারিং, আর্থিক অপরাধ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক অপরাধ, গুজব, মাদক ও উগ্রবাদসহ প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় এ ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত সাইবার তদন্ত কার্যক্রমকে সমন্বিত করে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যেই নতুন ইউনিটের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।