ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতালেন মাধবপুরের কৃতী সন্তান সঞ্জয় দেব

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম ও পরিচয় তুলে ধরেছেন সিলেটি বংশোদ্ভূত শিল্পী সঞ্জয় দেব (Sanjoy Deb)। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নসহ সমগ্র দেশ।

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ছিলেন চিকিৎসক ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরী। তাঁর দ্বিতীয় কন্যা মিতা দেব চৌধুরীর ছেলে সঞ্জয় দেব। ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর জন্ম মাধবপুর উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামে। চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর তিনি সুনামগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলেও নিজের জন্মভূমির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।

বর্তমানে সঞ্জয় দেব যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে তাঁর পরিবেশনা বাংলাদেশের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই অর্জন শুধু মাধবপুর বা চৌমুহনী ইউনিয়নের নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের জন্যই সম্মানের।

সঞ্জয়ের জন্ম মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। তাঁর বাবার নাম সন্তোষ দেব। বাবার কর্মস্থল চট্টগ্রামে হওয়ায় সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর পোশাকে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং লাল-সবুজের পতাকার নকশা। তাঁর পরিবেশনা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের প্রতীকগুলো তুলে ধরা হয়।

বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও নিজের শেকড় ও জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ধরে রেখেছেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরায় বিভিন্ন মহলে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবার ও অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে, যাদের অনুপ্রেরণা ও মূল্যবোধ তাঁকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার শক্তি যুগিয়েছে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সঞ্জয় দেব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতালেন মাধবপুরের কৃতী সন্তান সঞ্জয় দেব

আপডেট সময় ০১:১৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম ও পরিচয় তুলে ধরেছেন সিলেটি বংশোদ্ভূত শিল্পী সঞ্জয় দেব (Sanjoy Deb)। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নসহ সমগ্র দেশ।

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ছিলেন চিকিৎসক ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরী। তাঁর দ্বিতীয় কন্যা মিতা দেব চৌধুরীর ছেলে সঞ্জয় দেব। ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর জন্ম মাধবপুর উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামে। চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর তিনি সুনামগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলেও নিজের জন্মভূমির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।

বর্তমানে সঞ্জয় দেব যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে তাঁর পরিবেশনা বাংলাদেশের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই অর্জন শুধু মাধবপুর বা চৌমুহনী ইউনিয়নের নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের জন্যই সম্মানের।

সঞ্জয়ের জন্ম মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। তাঁর বাবার নাম সন্তোষ দেব। বাবার কর্মস্থল চট্টগ্রামে হওয়ায় সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর পোশাকে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং লাল-সবুজের পতাকার নকশা। তাঁর পরিবেশনা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের প্রতীকগুলো তুলে ধরা হয়।

বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও নিজের শেকড় ও জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ধরে রেখেছেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরায় বিভিন্ন মহলে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবার ও অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে, যাদের অনুপ্রেরণা ও মূল্যবোধ তাঁকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার শক্তি যুগিয়েছে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সঞ্জয় দেব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন।