
গ্রামের মেঠোপথ আর ধুলোমাখা জনপদে প্রতিদিন যিনি মানুষের খোঁজে হাঁটেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখলে যার হৃদয় নীরবে কেঁদে ওঠে— তিনি আন্দিউড়ার এক পরিচিত নাম মোত্তাকিম চৌধুরী। তাকে ঘিরেই আজ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার গল্প ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র।
রাতের অন্ধকারে যখন অসহায় কেউ সাহায্যের হাত খোঁজেন, তখন তিনি পাশে দাঁড়ান নিঃস্বার্থভাবে। ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসাকেই নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করেন তিনি। তাই চায়ের দোকান থেকে গ্রামের আড্ডা—সবখানেই তার আলোচনা।
কৃষকের ঘামে ভেজা মাঠ, শ্রমিকের ক্লান্ত জীবন, বেকার তরুণের স্বপ্ন এবং অবহেলিত মানুষের দীর্ঘশ্বাসের মাঝখানে মানুষ আজ খুঁজছে একজন বিশ্বস্ত অভিভাবককে, যার কথায় থাকবে সততা আর কাজে থাকবে দায়িত্ববোধ।
আন্দিউড়া ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও গ্রামের মানুষ উন্নয়নের প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছে। ভাঙা রাস্তা সংস্কার, নতুন সেতু নির্মাণ, বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং অবহেলিত মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি ফোটানো—এসবই এখন সাধারণ মানুষের প্রধান প্রত্যাশা।
স্থানীয়দের মতে, চেয়ারম্যানের চেয়ার শুধু সম্মানের প্রতীক নয়, এটি মানুষের অধিকার ও দায়িত্ব রক্ষার বড় অঙ্গীকার। আর সেই দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে পারেন এমন নেতৃত্বই এখন সময়ের দাবি।
মোত্তাকিম চৌধুরীকে ঘিরে তাই আন্দিউড়ার মানুষের অনেক স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। মানুষ বিশ্বাস করে, সুখে-দুঃখে পাশে থাকা একজন জনবান্ধব মানুষ হিসেবেই তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।
রাজনীতি যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের কল্যাণের মাধ্যম হয়, তবে সেই পথে প্রয়োজন সৎ, সাহসী ও মানবিক নেতৃত্ব। আন্দিউড়ার মানুষও চায় শান্তি, উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। আর সেই প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নাম—মোত্তাকিম চৌধুরী।
সময়ের সঙ্গে বদলে যাক অবহেলার চিত্র, মানুষের ভালোবাসায় উজ্জ্বল হোক আগামী দিনের ভোর। আন্দিউড়ার মাটিতে ছড়িয়ে পড়ুক নতুন আশার সুর—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
“গণ মানুষের নেতা, মোত্তাকিম চৌধুরী।”
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী
৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ
মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















