ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী ফিল্টার শিল্প বিলুপ্তির পথে Logo জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির রায় মঙ্গলবার Logo আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১ Logo হাইমচরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাঁশ দিয়ে হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ২ Logo বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চা শ্রমিকদের নিয়ে এমপি পুত্রের মতবিনিময় সভা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ ফয়সলের ছেলে ও সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উন্নয়নমূলক মতবিনিময় সভা করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে এমপির নোয়াপাড়ার বাংলোতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত চা শ্রমিক নেতা ও প্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, দাবি ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তারা এখনো নানা বঞ্চনার শিকার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ এবং শিক্ষার সীমাবদ্ধতা তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

২৩টি চা বাগানের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চা বাগানের মানুষ একতরফাভাবে ভোট দিয়ে সৈয়দ ফয়সলকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এমপি চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, চা শ্রমিকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হলেও তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিরাপদ পানি, উন্নত বাসস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা জরুরি।

সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগান এলাকার মানুষের কল্যাণে তিনি এবং তার পরিবার সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জানান, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত সবাই চা বাগান এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী ফিল্টার শিল্প বিলুপ্তির পথে

error:

চা শ্রমিকদের নিয়ে এমপি পুত্রের মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় ০৯:২৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ ফয়সলের ছেলে ও সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উন্নয়নমূলক মতবিনিময় সভা করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে এমপির নোয়াপাড়ার বাংলোতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত চা শ্রমিক নেতা ও প্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, দাবি ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তারা এখনো নানা বঞ্চনার শিকার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ এবং শিক্ষার সীমাবদ্ধতা তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

২৩টি চা বাগানের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চা বাগানের মানুষ একতরফাভাবে ভোট দিয়ে সৈয়দ ফয়সলকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এমপি চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, চা শ্রমিকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হলেও তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিরাপদ পানি, উন্নত বাসস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা জরুরি।

সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগান এলাকার মানুষের কল্যাণে তিনি এবং তার পরিবার সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জানান, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত সবাই চা বাগান এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।