ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo ৩১ অক্টোবর মাধবপুরে গাউছিয়া খায়েরিয়া দরবার শরীফের ৭৫তম ওরশ ও দোয়া মাহফিল Logo মাধবপুরে গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ৫ কিলোমিটার যানজট Logo জুমার জামাতে ঐক্য, সমাজে বিভেদের দেয়াল Logo লাখাইয়ে বুল্লা সিংহগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা Logo বিজয়নগরে কোটি টাকার ভারতীয় চোরাচালানী পণ্যসহ কাভার্ড ভ্যান আটক Logo বাহুবলে রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়ে পদ্ম গোখরা উদ্ধার, সাতছড়িতে অবমুক্ত Logo রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন Logo পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মজুরি না পেয়ে সংকটে হাজারো শ্রমিক Logo ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের

চা শ্রমিকদের নিয়ে এমপি পুত্রের মতবিনিময় সভা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ ফয়সলের ছেলে ও সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উন্নয়নমূলক মতবিনিময় সভা করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে এমপির নোয়াপাড়ার বাংলোতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত চা শ্রমিক নেতা ও প্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, দাবি ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তারা এখনো নানা বঞ্চনার শিকার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ এবং শিক্ষার সীমাবদ্ধতা তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

২৩টি চা বাগানের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চা বাগানের মানুষ একতরফাভাবে ভোট দিয়ে সৈয়দ ফয়সলকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এমপি চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, চা শ্রমিকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হলেও তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিরাপদ পানি, উন্নত বাসস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা জরুরি।

সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগান এলাকার মানুষের কল্যাণে তিনি এবং তার পরিবার সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জানান, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত সবাই চা বাগান এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

error:

চা শ্রমিকদের নিয়ে এমপি পুত্রের মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় ০৯:২৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ ফয়সলের ছেলে ও সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উন্নয়নমূলক মতবিনিময় সভা করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে এমপির নোয়াপাড়ার বাংলোতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত চা শ্রমিক নেতা ও প্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, দাবি ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তারা এখনো নানা বঞ্চনার শিকার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ এবং শিক্ষার সীমাবদ্ধতা তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

২৩টি চা বাগানের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চা বাগানের মানুষ একতরফাভাবে ভোট দিয়ে সৈয়দ ফয়সলকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এমপি চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, চা শ্রমিকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হলেও তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিরাপদ পানি, উন্নত বাসস্থান এবং কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা জরুরি।

সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগান এলাকার মানুষের কল্যাণে তিনি এবং তার পরিবার সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জানান, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত সবাই চা বাগান এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।