ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু Logo প্রবাসীর লাগেজ হোম ডেলিভারি না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo হাইমচরের চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল জ্ঞানের আলো সংগঠন Logo লাখাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে মামলার বাদী ও তাঁর পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগ Logo হাইমচরে ৫ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ বিএনপি নেতার Logo সিংহাগ্রামে অনাবৃষ্টি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া Logo মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্র ধরে ৩ বছর পর সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ Logo হাইমচরে এইচএসসি-আলিমে পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ মাত্র ৩ Logo দীর্ঘদিন পর চালু হলো হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা

হবিগঞ্জ সীমান্তে জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্য পাচার রোধে বিজিবির কঠোর নজরদারি

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ সীমান্তে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে ৫৫ বিজিবি (হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন) তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রায় ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সরাইল রিজিয়নের শ্রীমঙ্গল সেক্টরের অধীনস্থ এই ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত টহল ও বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। সীমান্তের জিরো লাইন থেকে অভ্যন্তরীণ প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং মোবাইল পেট্রোল বাড়িয়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষ করে বাল্লা আইসিপি ও আশপাশের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় পাহারার হার দ্বিগুণ করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অস্বাভাবিক পরিমাণে জ্বালানি তেল ক্রয় বা ড্রাম ভর্তি করে মজুতের মাধ্যমে পাচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৫৫ বিজিবি (হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের জ্বালানি ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর। সরাইল রিজিয়ন ও শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সার্বিক নির্দেশনায় আমাদের আওতাধীন বিশাল সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে এবং জ্বালানি তেল পাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, কেউ অবৈধভাবে জাতীয় সম্পদ পাচারের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজিবি জানায়, পাচার প্রতিরোধে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাল্লা আইসিপি এলাকায় বিশেষ প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। পাচারকারী চক্র ও তাদের সম্ভাব্য রুট শনাক্ত করতে বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছে। গভীর রাত ও ভোরবেলায় ঝটিকা অভিযান ও অ্যাম্বুশ পরিচালনার মাধ্যমে পাচার কার্যক্রম নস্যাৎ করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু

error:

হবিগঞ্জ সীমান্তে জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্য পাচার রোধে বিজিবির কঠোর নজরদারি

আপডেট সময় ১০:২২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ সীমান্তে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে ৫৫ বিজিবি (হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন) তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রায় ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে নজরদারি জোরদার করেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সরাইল রিজিয়নের শ্রীমঙ্গল সেক্টরের অধীনস্থ এই ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত টহল ও বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। সীমান্তের জিরো লাইন থেকে অভ্যন্তরীণ প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং মোবাইল পেট্রোল বাড়িয়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষ করে বাল্লা আইসিপি ও আশপাশের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় পাহারার হার দ্বিগুণ করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অস্বাভাবিক পরিমাণে জ্বালানি তেল ক্রয় বা ড্রাম ভর্তি করে মজুতের মাধ্যমে পাচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৫৫ বিজিবি (হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের জ্বালানি ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর। সরাইল রিজিয়ন ও শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সার্বিক নির্দেশনায় আমাদের আওতাধীন বিশাল সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে এবং জ্বালানি তেল পাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, কেউ অবৈধভাবে জাতীয় সম্পদ পাচারের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজিবি জানায়, পাচার প্রতিরোধে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাল্লা আইসিপি এলাকায় বিশেষ প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। পাচারকারী চক্র ও তাদের সম্ভাব্য রুট শনাক্ত করতে বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছে। গভীর রাত ও ভোরবেলায় ঝটিকা অভিযান ও অ্যাম্বুশ পরিচালনার মাধ্যমে পাচার কার্যক্রম নস্যাৎ করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।