
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি হবিগঞ্জের মাধবপুর থানায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের আটক করে নির্যাতন এবং মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায়ের অভিযোগে এসআই নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের পেশাদারিত্ব ক্ষুণ্ণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গত ২৭ জানুয়ারি এক প্রশাসনিক আদেশে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এসআই নাজমুল কোনো ওয়ারেন্ট বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই সাধারণ মানুষকে থানায় ধরে এনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখতেন। এরপর মাদক, ডাকাতি কিংবা রাজনৈতিক মামলার ভয় দেখিয়ে বড় অংকের টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে পুরোনো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর মতো ভয়ঙ্কর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন তিনি। তার এমন অপকর্মে খোদ পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি জনমনে দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি কামরুল হাসান নামে এক ব্যক্তিকে কোনো কারণ ছাড়াই ১৪ ঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখেন এসআই নাজমুল। পরে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পরও আরও ৩০ হাজার টাকার জন্য তাকে একটি পুরোনো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। শুধু কামরুলই নন, গণমাধ্যমকর্মী ফরাস উদ্দিনসহ একাধিক ব্যক্তি তার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল হক মুন্সী এই তদন্তের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইতোমধ্যে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে যাচাই করা হচ্ছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















