
বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংসদ বহাল না থাকায় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কাছে এমপিরা শপথ নিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সুযোগ নেই।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বর্তমান বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তি, প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। বিকল্প হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার তিন দিন পার হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পড়াতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ ধারা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন সংসদ ও সরকার গঠন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পন্ন করা হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো প্রক্রিয়াটি তিন দিনের মধ্যেই শেষ হতে পারে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এমপিদের শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























