ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ Logo দোয়ারাবাজারে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয়

error:

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।