ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।