ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

আমন ধানের বাম্পার ফলন — কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি

আ: বাছিত খান,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শস্য ভান্ডারখ্যাত হাওর কাউয়াদীঘি অধ্যুষিত রাজনগরে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। বিগত ২০২২ ও ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাজনগরের কৃষকরা এবার নতুন আশায় মাঠে নেমেছেন।

রাজনগর কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ১১ হাজার ৬শ ৫৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৮৮ হেক্টর বেশি। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৮২ মেট্রিক টন চাল, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩৯ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

কৃষি বিভাগ জানায়, বিগত দুই বছরের বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভারত থেকে নেমে আসা পানির কারণে রাজনগরের উজান ও হাওরের ফসল নষ্ট হয়েছিল। তবে এবার অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মতো সরকারি উদ্যোগের ফলে আমন আবাদ সফল হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে জেলার বৃহত্তম কাউয়াদীঘি হাওরে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য ১২শ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি পাম্প বিশিষ্ট কাশিমপুর পাম্প হাউস নির্মাণ করা হয়। এবার সময়মতো পাম্প পরিচালনা ও পানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় ফসল পানিতে তলিয়ে যায়নি।

স্থানীয় কৃষক লনি মিয়া বলেন, “প্রতি বছর বন্যার ভয়ে চিন্তায় থাকি। কিন্তু এবার সরকারের সময়মতো উদ্যোগের কারণে ভালো ফসল পেয়েছি। মুখে হাসি ফুটেছে।”
একইভাবে কাশিমপুর গ্রামের মোশাহিদ মিয়া, আব্দুল্লাহপুর গ্রামের গনি মিয়া ও ভানুর মহলের সুজন মিয়াও জানান, এমন ফলন তাঁরা অনেক বছর দেখেননি।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল আমীন বলেন, “অনুকূল আবহাওয়া ও সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে এবার আমন ফসল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হয়েছে। কৃষকদের চোখেমুখে আনন্দের ছায়া।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

আমন ধানের বাম্পার ফলন — কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি

আপডেট সময় ০৫:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

আ: বাছিত খান,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শস্য ভান্ডারখ্যাত হাওর কাউয়াদীঘি অধ্যুষিত রাজনগরে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। বিগত ২০২২ ও ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাজনগরের কৃষকরা এবার নতুন আশায় মাঠে নেমেছেন।

রাজনগর কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ১১ হাজার ৬শ ৫৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৮৮ হেক্টর বেশি। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৮২ মেট্রিক টন চাল, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩৯ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

কৃষি বিভাগ জানায়, বিগত দুই বছরের বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভারত থেকে নেমে আসা পানির কারণে রাজনগরের উজান ও হাওরের ফসল নষ্ট হয়েছিল। তবে এবার অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মতো সরকারি উদ্যোগের ফলে আমন আবাদ সফল হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে জেলার বৃহত্তম কাউয়াদীঘি হাওরে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য ১২শ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি পাম্প বিশিষ্ট কাশিমপুর পাম্প হাউস নির্মাণ করা হয়। এবার সময়মতো পাম্প পরিচালনা ও পানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় ফসল পানিতে তলিয়ে যায়নি।

স্থানীয় কৃষক লনি মিয়া বলেন, “প্রতি বছর বন্যার ভয়ে চিন্তায় থাকি। কিন্তু এবার সরকারের সময়মতো উদ্যোগের কারণে ভালো ফসল পেয়েছি। মুখে হাসি ফুটেছে।”
একইভাবে কাশিমপুর গ্রামের মোশাহিদ মিয়া, আব্দুল্লাহপুর গ্রামের গনি মিয়া ও ভানুর মহলের সুজন মিয়াও জানান, এমন ফলন তাঁরা অনেক বছর দেখেননি।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল আমীন বলেন, “অনুকূল আবহাওয়া ও সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে এবার আমন ফসল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হয়েছে। কৃষকদের চোখেমুখে আনন্দের ছায়া।”