ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা বিতরণ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

বাংলার খবর ডেস্ক:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা এখন থেকে তাদের অভিভাবকদের পছন্দের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে যাবে। এতদিন এই অর্থ বিতরণ করা হতো কেবল ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। তবে এবার সেই একক চুক্তি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও এমক্যাশসহ দেশের সব মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হবে। ফলে অভিভাবকেরা তাদের সুবিধামতো মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বেছে নিতে পারবেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, ডাক অধিদপ্তর ও নগদ লিমিটেডের মধ্যে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, অর্থ বিভাগের নির্দেশনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যতা ও নগদ লিমিটেডের চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থতা।

এদিকে, ১২ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ১৩টি এমএফএস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, ২৬ অক্টোবর থেকে দেশের সব এমএফএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপবৃত্তি বিতরণ করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে নিবন্ধিত মোবাইল সিম ও এমএফএস হিসাব নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নতুন সিদ্ধান্তটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জানাতে সব বিদ্যালয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই উপবৃত্তি কার্যক্রম চালু করা হয়। তবে আগের সরকারের সময় নগদ লিমিটেডের মাধ্যমে এককভাবে অর্থ বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে নতুন স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করা হয়, যাতে সরকারি অর্থ বিতরণে জবাবদিহি ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা বিতরণ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৯:০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা এখন থেকে তাদের অভিভাবকদের পছন্দের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে যাবে। এতদিন এই অর্থ বিতরণ করা হতো কেবল ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। তবে এবার সেই একক চুক্তি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও এমক্যাশসহ দেশের সব মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হবে। ফলে অভিভাবকেরা তাদের সুবিধামতো মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বেছে নিতে পারবেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, ডাক অধিদপ্তর ও নগদ লিমিটেডের মধ্যে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, অর্থ বিভাগের নির্দেশনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যতা ও নগদ লিমিটেডের চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থতা।

এদিকে, ১২ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ১৩টি এমএফএস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, ২৬ অক্টোবর থেকে দেশের সব এমএফএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপবৃত্তি বিতরণ করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে নিবন্ধিত মোবাইল সিম ও এমএফএস হিসাব নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নতুন সিদ্ধান্তটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জানাতে সব বিদ্যালয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এই উপবৃত্তি কার্যক্রম চালু করা হয়। তবে আগের সরকারের সময় নগদ লিমিটেডের মাধ্যমে এককভাবে অর্থ বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে নতুন স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করা হয়, যাতে সরকারি অর্থ বিতরণে জবাবদিহি ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হয়।