ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের আমেজ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি Logo পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেকর্ড, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ ভারতের Logo ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে নতুন সম্ভাবনা, চার লেন হচ্ছে সরাইল-লাখাই মহাসড়ক Logo মাধবপুর উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির নির্বাচন ১৪ নভেম্বর, ১৩ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা Logo লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড Logo জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, দুপুর থেকে বিদ্যুৎহীন হাইমচর Logo মাধবপুরে মা-বাবাকে নির্যাতনের অভিযোগে ছেলের এক বছরের কারাদণ্ড Logo দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও থেমে যাননি রুবেল, লাখাইয়ে গড়েছেন স্বাবলম্বী হওয়ার লড়াই Logo নারায়ণগঞ্জে চুরির চেষ্টার অভিযোগে ৪ নারী আটক, ছয় মাসের কারাদণ্ড Logo দেশের ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি, যোগদানের সময়সীমা ২৯ অক্টোবর

ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে নতুন সম্ভাবনা, চার লেন হচ্ছে সরাইল-লাখাই মহাসড়ক

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াত সহজ করতে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে। প্রায় ৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কটি নির্মিত হলে হাওরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে প্রায় ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত চার লেনের মহাসড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-সিলেট রুটে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই পথ ব্যবহার করা গেলে রাজধানী ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমতে পারে। পাশাপাশি যাতায়াতে প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পটি মোট আটটি প্যাকেজে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে ২৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ অংশের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অন্যদিকে, হবিগঞ্জ অংশে ২৬ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৯৮ কোটি টাকা।

চার লেনের মহাসড়কটি চালু হলে সরাইল, নাসিরনগর ও লাখাইসহ আশপাশের এলাকার মানুষের ঢাকায় যাতায়াত সহজ হতে পারে। পাশাপাশি হাওরাঞ্চলের কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে চার লেন মহাসড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে বিকল্প পথ তৈরির পাশাপাশি লাখাইসহ হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ, কৃষিপণ্য পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের আমেজ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি

error:

ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে নতুন সম্ভাবনা, চার লেন হচ্ছে সরাইল-লাখাই মহাসড়ক

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াত সহজ করতে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে। প্রায় ৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কটি নির্মিত হলে হাওরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে প্রায় ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত চার লেনের মহাসড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-সিলেট রুটে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই পথ ব্যবহার করা গেলে রাজধানী ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমতে পারে। পাশাপাশি যাতায়াতে প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পটি মোট আটটি প্যাকেজে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে ২৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ অংশের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অন্যদিকে, হবিগঞ্জ অংশে ২৬ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৯৮ কোটি টাকা।

চার লেনের মহাসড়কটি চালু হলে সরাইল, নাসিরনগর ও লাখাইসহ আশপাশের এলাকার মানুষের ঢাকায় যাতায়াত সহজ হতে পারে। পাশাপাশি হাওরাঞ্চলের কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে চার লেন মহাসড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে বিকল্প পথ তৈরির পাশাপাশি লাখাইসহ হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ, কৃষিপণ্য পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে।