ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

কলেজে যাওয়ার পথে অচেতন কলেজছাত্রী, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি

জালাল উদ্দিন লস্কর,মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (প্রায় ১৭) নামে এক কলেজছাত্রী অচেতন হয়ে পড়েছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আক্তার শিমু মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় বাকসাইর এলাকায় চলন্ত সিএনজি থেকে তিনি ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান অথবা অন্য কোনোভাবে নিচে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তবে ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় সিএনজিতে তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তার কাছে থাকা কলেজের পরিচয়পত্র দেখে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আইডি কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে খবর পেয়ে শিমুর বাবা-মা হাসপাতালে এসে মেয়ের পাশে অবস্থান নেন। শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, “আল্লাহ আমার মেয়েকে বাঁচিয়েছেন, এজন্য শোকরিয়া। সে সুস্থ হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রোগী এখনো অচেতন রয়েছেন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা বা ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

কলেজে যাওয়ার পথে অচেতন কলেজছাত্রী, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি

আপডেট সময় ০১:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর,মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (প্রায় ১৭) নামে এক কলেজছাত্রী অচেতন হয়ে পড়েছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আক্তার শিমু মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় বাকসাইর এলাকায় চলন্ত সিএনজি থেকে তিনি ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান অথবা অন্য কোনোভাবে নিচে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তবে ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় সিএনজিতে তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তার কাছে থাকা কলেজের পরিচয়পত্র দেখে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আইডি কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে খবর পেয়ে শিমুর বাবা-মা হাসপাতালে এসে মেয়ের পাশে অবস্থান নেন। শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, “আল্লাহ আমার মেয়েকে বাঁচিয়েছেন, এজন্য শোকরিয়া। সে সুস্থ হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রোগী এখনো অচেতন রয়েছেন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা বা ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।