ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ Logo ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবি পরিবর্তন, দফাদার হলেন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ Logo জামালপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ, দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা Logo এসআরবির মহাপরিচালক হলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ Logo জামালপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান, তিন মামলায় ৬ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কারে যুবকদের নিয়ে মাঠে নামলেন রহিম মিয়া Logo মাধবপুর-চুনারুঘাটের ৫ চা বাগানে ৯ দিন রেশন বন্ধ, ৩ হাজার ৪০০ শ্রমিককে ১৭ টন চাল দিলেন শাফকাত Logo মাধবপুরে ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা-মেহেদীসহ কাভার্ড ভ্যান জব্দ Logo লাখাইয়ে সালিশের টাকা দিতে গিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি ২ লাখ টাকা Logo সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

মাধবপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী আটক

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের মীরনগর গ্রামে যৌতুকের দাবিতে মনিকা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মো. ছোট্ট মিয়াকে আটক করেছে মাধবপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানার নজরে আসে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ছোট্ট মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগী মনিকা আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এর আগে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা এনে দিলেও পরবর্তীতে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এতে তার বাম পা ও ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, স্বামীর আগের স্ত্রীর বড় মেয়ে মৌসুমীর হাতেও একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মনিকা আক্তারকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

মনিকা আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার শশই গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত ছোট্ট মিয়া মাধবপুর উপজেলার মীরনগর গ্রামের মৃত দুধ মিয়ার ছেলে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ

error:

মাধবপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী আটক

আপডেট সময় ০১:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের মীরনগর গ্রামে যৌতুকের দাবিতে মনিকা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মো. ছোট্ট মিয়াকে আটক করেছে মাধবপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানার নজরে আসে। পরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ছোট্ট মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগী মনিকা আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এর আগে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা এনে দিলেও পরবর্তীতে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এতে তার বাম পা ও ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, স্বামীর আগের স্ত্রীর বড় মেয়ে মৌসুমীর হাতেও একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মনিকা আক্তারকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

মনিকা আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার শশই গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত ছোট্ট মিয়া মাধবপুর উপজেলার মীরনগর গ্রামের মৃত দুধ মিয়ার ছেলে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয়