ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আন্দিউড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোত্তাকিম চৌধুরীকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ Logo পিকআপে ৫৫ কেজি গাঁজা, মাধবপুরে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৪ Logo হবিগঞ্জের রঘুনন্দন বনাঞ্চল এলাকায় রাতের আধারে অবাধে বালু উওোলন ও গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ বনদস্যুরা Logo আধুনিকায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে বদলে গেছে লাখাই মুক্তিযোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজ Logo জনগণের পাশে থেকে সেবার প্রত্যয়, ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে দোয়া-সহযোগিতা চাইলেন বিএম ফরিদ আহমেদ Logo মন্ত্রীর সঙ্গে এমপি সৈয়দ মো. ফয়সলের একান্ত সাক্ষাৎ, মাধবপুর-চুনারুঘাটের সড়ক-সেতু উন্নয়নের দাবি Logo পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo শুরুটা যেভাবে, আজ সাংবাদিকতায় মেহেরাব Logo হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, নোংরা পরিবেশ দেখে ক্ষোভ Logo মতপ্রকাশে ভয়, অনলাইনে নিজেদের ‘গুটিয়ে নিচ্ছেন’ সাংবাদিকরা

মাধবপুরে আগাম বন্যায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি, সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আগাম বন্যা, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কৃষকদের সোনালি স্বপ্ন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। উপজেলার আন্দিউড়া, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর, বহরা ও আদাঐর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা বোরো ধান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও ঢলের ফলে উপজেলার অন্তত ৯০ হেক্টরের বেশি জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠের পর মাঠ ফসল পানিতে ডুবে যাওয়ায় এলাকায় নেমে এসেছে চরম হতাশা ও হাহাকার। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা।

আন্দিউড়া ইউনিয়নের কৃষক উজ্জল মিয়া বলেন, সময়মতো এক্সকাভেটর (ভেকু) না পাওয়ায় তাদের পাকা ধান রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, একদিকে শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে ভেকু চালকদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি—সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

অনেক কৃষক হাঁটুসমান পানিতে নেমে আধাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ কেউ অসহায়ের মতো তলিয়ে যাওয়া জমির দিকে তাকিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ধার-দেনা করে চাষাবাদ করা এসব কৃষকের সামনে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও উজানের পানিতে নতুন করে প্রায় ৯০ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। তবে বৃষ্টি কমলে পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি কৃষকদের অবশিষ্ট ফসল দ্রুত কাটার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা, কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শ্রমিক সংকট নিরসনের জোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দিউড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোত্তাকিম চৌধুরীকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহ

error:

মাধবপুরে আগাম বন্যায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি, সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আগাম বন্যা, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কৃষকদের সোনালি স্বপ্ন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। উপজেলার আন্দিউড়া, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর, বহরা ও আদাঐর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা বোরো ধান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও ঢলের ফলে উপজেলার অন্তত ৯০ হেক্টরের বেশি জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠের পর মাঠ ফসল পানিতে ডুবে যাওয়ায় এলাকায় নেমে এসেছে চরম হতাশা ও হাহাকার। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা।

আন্দিউড়া ইউনিয়নের কৃষক উজ্জল মিয়া বলেন, সময়মতো এক্সকাভেটর (ভেকু) না পাওয়ায় তাদের পাকা ধান রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, একদিকে শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে ভেকু চালকদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি—সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

অনেক কৃষক হাঁটুসমান পানিতে নেমে আধাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ কেউ অসহায়ের মতো তলিয়ে যাওয়া জমির দিকে তাকিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ধার-দেনা করে চাষাবাদ করা এসব কৃষকের সামনে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও উজানের পানিতে নতুন করে প্রায় ৯০ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। তবে বৃষ্টি কমলে পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি কৃষকদের অবশিষ্ট ফসল দ্রুত কাটার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা, কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শ্রমিক সংকট নিরসনের জোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।