ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হাইমচরে বিএনপির ১৩০ নেতাকর্মীর পদত্যাগ Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ

মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ লাখ লিটার ডিজেলের ২০-৩০% ক্ষতি, রেল যোগাযোগ বন্ধ

হামিদুর রহমান, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা রেল স্টেশনের কাছে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী একটি তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে পাঁচটি তেলের ওয়াগনসহ মোট ছয়টি বগি ছিটকে পড়ে। এর মধ্যে একটি তেলবাহী ওয়াগন সেতু থেকে খালে পড়ে যায়।

এ দুর্ঘটনায় পাঁচটি ওয়াগনে থাকা প্রায় দুই লাখ লিটার ডিজেলের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৪০ থেকে ৬০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

খবর পেয়ে আখাউড়া থেকে একটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় পার হলেও উদ্ধার কাজ শেষ হয়নি বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রেলওয়ে বিভাগ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মেহেদী হাসানকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে ম্যানেজার এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ট্রেনের গতি ও রেললাইনের ত্রুটিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

দুর্ঘটনার কারণে সিলেট-ঢাকা রুটের উপবন এক্সপ্রেস, সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ১৬টি বগি নিয়ে ডিজেলবাহী ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পথে মনতলা এলাকায় পৌঁছালে পাঁচটি তেলের ওয়াগনসহ ছয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়, এতে প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পর ট্যাংকার থেকে ডিজেল বের হতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তা সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে পুলিশ, বিজিবি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হাইমচরে বিএনপির ১৩০ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

error:

মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ লাখ লিটার ডিজেলের ২০-৩০% ক্ষতি, রেল যোগাযোগ বন্ধ

আপডেট সময় ১১:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

হামিদুর রহমান, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা রেল স্টেশনের কাছে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী একটি তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে পাঁচটি তেলের ওয়াগনসহ মোট ছয়টি বগি ছিটকে পড়ে। এর মধ্যে একটি তেলবাহী ওয়াগন সেতু থেকে খালে পড়ে যায়।

এ দুর্ঘটনায় পাঁচটি ওয়াগনে থাকা প্রায় দুই লাখ লিটার ডিজেলের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৪০ থেকে ৬০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

খবর পেয়ে আখাউড়া থেকে একটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় পার হলেও উদ্ধার কাজ শেষ হয়নি বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রেলওয়ে বিভাগ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মেহেদী হাসানকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে ম্যানেজার এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ট্রেনের গতি ও রেললাইনের ত্রুটিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

দুর্ঘটনার কারণে সিলেট-ঢাকা রুটের উপবন এক্সপ্রেস, সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ১৬টি বগি নিয়ে ডিজেলবাহী ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পথে মনতলা এলাকায় পৌঁছালে পাঁচটি তেলের ওয়াগনসহ ছয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়, এতে প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পর ট্যাংকার থেকে ডিজেল বের হতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তা সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে পুলিশ, বিজিবি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।