
মুক্তিযুদ্ধ একটি জাতির অস্তিত্বের লড়াই। আর স্বাধীনতার ঘোষণা সেই লড়াইয়ের প্রথম শপথ। ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল সময়ে যখন বাঙালি জাতি শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে নিজের অধিকার আদায়ের শপথ নেয়, তখনই জন্ম নেয় স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা।
২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হামলার পর স্বাধীনতার ঘোষণা কেবল আনুষ্ঠানিক বার্তা ছিল না; বরং তা হয়ে ওঠে একটি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধের ডাক এবং জাগরণের সূচনা।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সেই ঘোষণাই একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়। দিবাগত রাত ২টা ১৫ মিনিটে তার দেওয়া সেই ঘোষণাকে স্বাধীনতার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে। তিনি একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সরকারের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন এবং স্বাধীনতার ঘোষণার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টি জাতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং তা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
এদিকে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, মুক্তিযুদ্ধকে সর্বজনীনভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রসহ ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের ইতিহাস, চেতনা ও আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















