ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হাইমচরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি Logo ১ম–১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির Logo লাখাইয়ে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo লাখাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাংবাদিক জুবায়ের, সিলেটে রেফার Logo মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে ১০ লাখ ৫৫ হাজার টাকার ভারতীয় পণ্য ও মদ জব্দ Logo হাইমচর হাসপাতালে বৃদ্ধা রোগীকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, তদন্ত কমিটির সরেজমিন অনুসন্ধান Logo প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব Logo এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ Logo হাইমচরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo মাধবপুরে ট্রাকভর্তি ৩ হাজার ৯০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ৩

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইমচরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি

error:

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

আপডেট সময় ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।