ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হাইমচরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি Logo ১ম–১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির Logo লাখাইয়ে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo লাখাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাংবাদিক জুবায়ের, সিলেটে রেফার Logo মাধবপুরে বিজিবির পৃথক অভিযানে ১০ লাখ ৫৫ হাজার টাকার ভারতীয় পণ্য ও মদ জব্দ Logo হাইমচর হাসপাতালে বৃদ্ধা রোগীকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, তদন্ত কমিটির সরেজমিন অনুসন্ধান Logo প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব Logo এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ Logo হাইমচরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত Logo মাধবপুরে ট্রাকভর্তি ৩ হাজার ৯০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ, আটক ৩

১ম–১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের সরকারের নির্বাহী আদেশে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে চলমান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে এনটিআরসিএর ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে নেওয়া সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কমিটিকে অবহিত করা হয়। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এসব নিবন্ধনধারীকে অবিলম্বে নির্বাহী আদেশে নিয়োগের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে কমিটি।

এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও সুপারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে নিয়োগসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য বৈঠকে উপস্থাপন করে এনটিআরসিএ। সংস্থাটি জানায়, চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করা হবে।

বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ছাড়াও বৈঠকে অংশ নেন মোছা. তাহসিনা রুশদীর, মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, মো. জাহান্দার আলী মিঞা, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মো. মুজিবুর রহমান এবং আতিকুর রহমান মোজাহিদ।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বঞ্চিত শিক্ষকেরা।

রোববার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতারা এ দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ২০০৫ সাল থেকে সনদ দেওয়া হলেও এনটিআরসিএর বিভিন্ন নীতিমালা পরিবর্তন, ভাইভা নম্বরের তারতম্য এবং বয়সের বাধ্যবাধকতার কারণে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের অনেক প্রার্থী বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা আরও বলেন, ২০১৭ সালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১২ জুনের আগে সনদপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য। তবে নানা আইনি জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে তাঁরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে শাহবাগে টানা ২০৩ দিন আন্দোলন করেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান পাননি তাঁরা।

শিক্ষক নেতারা বলেন, ১৩তম ব্যাচের ২ হাজার ২০৭ জন প্রার্থী আদালতের আদেশে নিয়োগের সুযোগ পেলে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরাও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। এ জটিলতা নিরসনে আদালতের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইমচরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি

error:

১ম–১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

আপডেট সময় ০৮:১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের সরকারের নির্বাহী আদেশে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে চলমান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে এনটিআরসিএর ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে নেওয়া সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কমিটিকে অবহিত করা হয়। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এসব নিবন্ধনধারীকে অবিলম্বে নির্বাহী আদেশে নিয়োগের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে কমিটি।

এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও সুপারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে নিয়োগসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য বৈঠকে উপস্থাপন করে এনটিআরসিএ। সংস্থাটি জানায়, চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করা হবে।

বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ছাড়াও বৈঠকে অংশ নেন মোছা. তাহসিনা রুশদীর, মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, মো. জাহান্দার আলী মিঞা, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মো. মুজিবুর রহমান এবং আতিকুর রহমান মোজাহিদ।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বঞ্চিত শিক্ষকেরা।

রোববার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতারা এ দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ২০০৫ সাল থেকে সনদ দেওয়া হলেও এনটিআরসিএর বিভিন্ন নীতিমালা পরিবর্তন, ভাইভা নম্বরের তারতম্য এবং বয়সের বাধ্যবাধকতার কারণে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের অনেক প্রার্থী বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা আরও বলেন, ২০১৭ সালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১২ জুনের আগে সনদপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য। তবে নানা আইনি জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে তাঁরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে শাহবাগে টানা ২০৩ দিন আন্দোলন করেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান পাননি তাঁরা।

শিক্ষক নেতারা বলেন, ১৩তম ব্যাচের ২ হাজার ২০৭ জন প্রার্থী আদালতের আদেশে নিয়োগের সুযোগ পেলে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরাও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। এ জটিলতা নিরসনে আদালতের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।