ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিজিবির চক্ষু শিবিরে ২০০ জনকে চিকিৎসা সেবা Logo হবিগঞ্জে বিজিবির ফ্রি চক্ষু শিবির, চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ Logo ছোট ছোট বালক-বালিকারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: এমপি ফয়সল Logo অশুভ ‘ভিউ ব্যবসায়ীদের’ বিষাক্ত ছোবল থামাতে হবে Logo হবিগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ: পুলিশের তৎপরতায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, স্বীকারোক্তি Logo মাধবপুরে বেলগড় ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশনে ত্রুটি, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন Logo মাধবপুরে এসএসসি পরীক্ষার মধ্যে উচ্চস্বরে গান ও অসামাজিক কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ অভিভাবক-শিক্ষার্থী Logo ১৬ বছর পর আবারও সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান Logo সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেলেন সৈয়দ আবদাল আহমদ

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন মোহসিন রশীদ। তিনি বলেন, ড. ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। সরকার পদক্ষেপ না নিলে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’-এ দেওয়া বক্তব্যে মোহসিন রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। তার ভাষায়, এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং পাঠানো নথিতে সই করানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে দেশে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মোহসিন রশীদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক। তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল। তিনি দাবি করেন, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টা ছিল রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী কর্মকাণ্ড।

এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গে মোহসিন রশীদ জানান, এ বিষয়ে তিনি আদালতে গেছেন এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ করবেন বলেও জানান।

সরকার যদি কোনো অনুসন্ধান কমিটি গঠন না করে, তাহলে তিনি নিজেই আইনি নোটিশ দিয়ে মামলা করবেন এবং ড. ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন বলে ঘোষণা দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজিবির চক্ষু শিবিরে ২০০ জনকে চিকিৎসা সেবা

error:

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা

আপডেট সময় ১২:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন মোহসিন রশীদ। তিনি বলেন, ড. ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। সরকার পদক্ষেপ না নিলে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’-এ দেওয়া বক্তব্যে মোহসিন রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। তার ভাষায়, এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং পাঠানো নথিতে সই করানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে দেশে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মোহসিন রশীদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক। তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল। তিনি দাবি করেন, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টা ছিল রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী কর্মকাণ্ড।

এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গে মোহসিন রশীদ জানান, এ বিষয়ে তিনি আদালতে গেছেন এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ করবেন বলেও জানান।

সরকার যদি কোনো অনুসন্ধান কমিটি গঠন না করে, তাহলে তিনি নিজেই আইনি নোটিশ দিয়ে মামলা করবেন এবং ড. ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন বলে ঘোষণা দেন।