
বাংলার খবর ডেস্ক:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী ছিলেন ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। ১৯৯৩ সালের ২২ জুন জন্ম নেওয়া এই তরুণ চিকিৎসক এবারও শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন। সদ্য ত্রিশে পা রাখা প্রিয়াঙ্কা আবারও ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন।
শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হযরত আলীর কন্যা প্রিয়াঙ্কা ২০০৮ সালে এসএসসি, ২০১০ সালে এইচএসসি এবং ২০১৬ সালে এমবিবিএস পাস করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ দুর্গে লড়াই করে আলোচিত হয়েছিলেন। সেই সময় আওয়ামী লীগের হামলা-ভাঙচুর উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারে সোচ্চার ছিলেন তিনি। দুপুর ১২টার মধ্যেই ৩৫ হাজার ভোট পেলেও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান প্রিয়াঙ্কা।
এবারও বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি বলেন, “আমি ২০১৮ সালে শেরপুরের মানুষের চোখে ধানের শীষের জনপ্রিয়তা ও ভালোবাসা দেখেছি। এবারও সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে বিজয়ের জন্য কাজ করবো। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালে আমি ভোট কারচুপির প্রতিবাদ করেছিলাম, যা সারা দেশে আলোচিত হয়। ওই প্রতিবাদের মাধ্যমে মানুষকে বুঝিয়েছি আওয়ামী লীগ ভোটচোর।”
মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিএনপি একটি বড় দল। এখানে প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক। আমি বিশ্বাস করি, সব প্রার্থীই ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন। ইনশাআল্লাহ, এবার শেরপুর সদর আসনে আমরা ধানের শীষকে বিজয়ী করবো।”
শেরপুর নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ডা. প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এই পিছিয়ে থাকা জনপদে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কৃষি খাতের উন্নয়নে জোর দেবো। নারীদের কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বে অংশগ্রহণ বাড়াতে আলাদা উদ্যোগ থাকবে।”
শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, “শেরপুরের তিন আসনেই বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। এর মধ্যে কনিষ্ঠ প্রার্থী ডা. প্রিয়াঙ্কা সবার চেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন। একজন নারী নেত্রীর সকল গুণ তার মধ্যে রয়েছে।”
বাংলার খবর ডেস্ক : 


























