
বাংলার খবর ডেস্ক:
বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যকার বর্তমান মতপার্থক্য ও দূরত্বের বিষয়টি মূলত আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বিএনপি।
জামায়াতকে নিয়ে বিএনপির অবস্থান প্রসঙ্গে সম্প্রতি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে। এতে উদ্বেগের কিছু নেই। বিএনপি আগেও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি প্রার্থিতা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি জামায়াতের নির্বাচনী কৌশল নিয়েও খোঁজখবর রাখছে। জামায়াতের ভোটারকেন্দ্রিক প্রচার, নারী ভোটারদের নিয়ে পরিকল্পনা—এসব বিষয় মাঠ পর্যায় থেকে পর্যবেক্ষণ করছে দলটি। তবে বিএনপি এতে উদ্বিগ্ন নয়। তাদের বিশ্বাস, গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ইমেজসম্পন্ন প্রার্থী দিতে পারলে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি হবে।
এদিকে বিএনপি এবার তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা ও পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলটি মনে করছে, আগামী নির্বাচনে তরুণ ভোটাররাই অন্যতম প্রভাবশালী ফ্যাক্টর হবে। তাই প্রার্থী বাছাইয়ে তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
দলীয় সূত্র মতে, বিতর্কিত কাউকে প্রার্থী করা হবে না। স্বচ্ছ ইমেজ, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতাসম্পন্ন নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে যারা এলাকায় পরিচিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী, তাদের অনেকের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সবশেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যে প্রার্থী আসনভিত্তিক সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, এলাকায় জনপ্রিয়, স্বচ্ছ ইমেজসম্পন্ন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন—এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। অন্য দলের প্রার্থীর মানও হয়তো একটি বিষয় হতে পারে।”
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























