
সিলেট ব্যুরো:
সিলেট বিভাগের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ে তথ্যভিত্তিক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালু করেছে বিএনপি। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই সিলেট বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ঢাকায় তলব করেছে দলীয় হাইকমান্ড। আজ রোববার বিকেল ৩টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, বৈঠকে সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের প্রার্থীদের সাংগঠনিক অবস্থা, জনপ্রিয়তা, মাঠপর্যায়ের কর্মকৌশল ও ভোটার সংযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এবার বিএনপি ডিজিটাল ডেটাবেজের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার মানদণ্ড যাচাই করছে। মাঠে সক্রিয় নেতা, প্রবাসী, যুবনেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদেরও যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিটি আসনে একজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হবে এবং বিকল্প হিসেবে আরও দুজনের নাম রাখা হবে। মনোনীত প্রার্থীর কোনো সমস্যা দেখা দিলে পরবর্তী তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হবে।
বিশ্বনাথের মতো এলাকায় যেন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সংঘাত বা দ্বন্দ্ব না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে। বঞ্চিত প্রার্থীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিতে সক্রিয় থাকতে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এবার সাক্ষাৎকার বা তদবির নয়—প্রার্থীর সংগঠনমূলক তৎপরতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ত্যাগ, এবং অপরাধে সম্পৃক্ততার ইতিহাস—এসব তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে।
সিলেট বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও হবিগঞ্জের মনোনয়নপ্রত্যাশী জিকে গউছ জানান, “বিকেল ৩টায় বৈঠক শুরু হবে। আলোচনা, যাচাই-বাছাই শুরু হবে সুনামগঞ্জ থেকে এবং শেষ হবে মৌলভীবাজারে গিয়ে। ঢাকায় সিলেটের অসংখ্য নেতা—যেদিকে তাকাই, সেদিকেই এমপি প্রার্থী।”
বিএনপির এই উদ্যোগকে অনেকেই ‘ডিজিটাল যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার’ নতুন ধারা হিসেবে দেখছেন, যা প্রার্থী নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























