
মোগবাজার (ঢাকা) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৫ দফা দাবির বাস্তবায়ন দাবিতে দ্বিতীয় ধাপে ১২ দিনের যুগপৎ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং সরকারের প্রতি দাবি আদায়ে ত্বরান্বিত হওয়ার আহ্বান জানান।
মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি গ্রহণ না করলে আন্দোলন আরও শক্তভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি অভিযোগ করেন, এখন পর্যন্ত সরকারের কাছে জনগণের আন্দোলনের কোনো বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি; তাই দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে।
জামায়াত ঘোষণা করা কর্মসূচির মূল অঙ্গগুলো হলো—
১. ১ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত — ৫ দফা গণদাবির পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে গণসংযোগ।
২. ১০ অক্টোবর — ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে গণমিছিল।
৩. ১২ অক্টোবর — জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
জামায়াতের উত্থাপিত ৫ দফা দাবির সারমর্ম হলো—
১. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই জুলাই সনদের ভিত্তিতে সম্ভব করতে হবে।
২. নির্বাচন প্র্য proportional representation (পি.আর.) পদ্ধতিতে করণীয়।
৩. সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতের জন্য একটি সমতল (level playing field) পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
৪. গণহত্যার বিচার দৃশ্যমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
৫. বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ভারতীয় তাবেদার ও ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে বিচার চালিয়ে তাদের কার্যক্রম বিচারকালীন নিষিদ্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করলে জনগণ রাজপথে যাওয়ার অধিকার প্রয়োগ করবে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনসহ অন্যান্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি বলছেন, এ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং আইনি সীমানার মধ্যেই থাকবে, তবে সরকারের উপেক্ষার পরিস্থিতিতে তা বাড়ানো হবে।
জামায়াতের এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকার-প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হলে তা পরবর্তীতে পুনঃপ্রকাশ করা হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























