ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টঙ্গীর মাদ্রাসার ঘটনা নিয়ে রাশেদ খাঁনের মন্তব্য, রাজনৈতিক নেতার আচরণ নিয়েও সমালোচনা Logo কানাডা সফর শেষে দেশে ফিরেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম Logo রুমিন ফারহানা-ওসির বাগ্‌বিতণ্ডা, সরাইল থানায় পুলিশের জিডি Logo মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, অক্ষত সংগীতশিল্পী Logo লাখাইয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্রি হচ্ছে আকাশমণি-ইউক্যালিপটাসের চারা Logo লাখাইয়ে রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানোর অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা Logo লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাইয়ের ২৪৭ কোটি টাকার ফ্ল্যাট হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা Logo লাখাইয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া Logo নাসিরনগরের বাজারে শীতের আগাম সবজি, দামের দিকে তাকিয়ে ক্রেতারা Logo মাধবপুরের আন্দিউড়ায় ১৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, কৃতজ্ঞতা বাবুলের

টঙ্গীর মাদ্রাসার ঘটনা নিয়ে রাশেদ খাঁনের মন্তব্য, রাজনৈতিক নেতার আচরণ নিয়েও সমালোচনা

বাংলার খবর ডেস্ক:

টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আলোচনা এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, চুমু দেওয়া কোনো শিক্ষকের কাজ নয়, এমনকি কোনো রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। একই সঙ্গে একটি দলের প্রধান নেতার প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন লেখেন, টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের চুমু দেওয়ার অভিযোগ এবং পরে শিশুটির বাবার অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা সারা দেশে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার পর অনেক অভিভাবককে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ ঘটনাটিকে সামনে রেখে মাদ্রাসাশিক্ষাবিরোধী প্রচারণাও চালাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদ্রাসাশিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মাদ্রাসাশিক্ষকেরা এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হবেন এবং প্রতিবাদ জানিয়ে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সন্তানকে বাবা-মায়ের কাছে পবিত্র আমানত হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন লেখেন, সন্তানের প্রতি কেউ কুনজর দিলে অভিভাবকদের ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি দাবি করেন, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। তাঁর মতে, ওই নেতা হয়তো স্বাভাবিক স্নেহ বা ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যেই এমন আচরণ করেন। কিন্তু অন্য কেউ এ আচরণে প্রভাবিত হলে কিংবা সুযোগসন্ধানী কেউ শিশুদের প্রতি অসৎ উদ্দেশ্য পোষণ করলে তার পরিণতি উদ্বেগজনক হতে পারে।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ওই দলের প্রধান নেতা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে চুমু দেন—এমন দাবি তিনি করছেন না। তবে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপটে শিশু কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে এভাবে চুমু দেওয়া বিব্রতকর হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। টঙ্গীর ঘটনার পর ওই নেতাও নিজের আচরণ সংশোধন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

টঙ্গীর মাদ্রাসার ঘটনা নিয়ে রাশেদ খাঁনের মন্তব্য, রাজনৈতিক নেতার আচরণ নিয়েও সমালোচনা

error:

টঙ্গীর মাদ্রাসার ঘটনা নিয়ে রাশেদ খাঁনের মন্তব্য, রাজনৈতিক নেতার আচরণ নিয়েও সমালোচনা

আপডেট সময় ০৪:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:

টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আলোচনা এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, চুমু দেওয়া কোনো শিক্ষকের কাজ নয়, এমনকি কোনো রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। একই সঙ্গে একটি দলের প্রধান নেতার প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন লেখেন, টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের চুমু দেওয়ার অভিযোগ এবং পরে শিশুটির বাবার অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা সারা দেশে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার পর অনেক অভিভাবককে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ ঘটনাটিকে সামনে রেখে মাদ্রাসাশিক্ষাবিরোধী প্রচারণাও চালাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদ্রাসাশিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মাদ্রাসাশিক্ষকেরা এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হবেন এবং প্রতিবাদ জানিয়ে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সন্তানকে বাবা-মায়ের কাছে পবিত্র আমানত হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন লেখেন, সন্তানের প্রতি কেউ কুনজর দিলে অভিভাবকদের ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি দাবি করেন, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। তাঁর মতে, ওই নেতা হয়তো স্বাভাবিক স্নেহ বা ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যেই এমন আচরণ করেন। কিন্তু অন্য কেউ এ আচরণে প্রভাবিত হলে কিংবা সুযোগসন্ধানী কেউ শিশুদের প্রতি অসৎ উদ্দেশ্য পোষণ করলে তার পরিণতি উদ্বেগজনক হতে পারে।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ওই দলের প্রধান নেতা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে চুমু দেন—এমন দাবি তিনি করছেন না। তবে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপটে শিশু কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে এভাবে চুমু দেওয়া বিব্রতকর হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। টঙ্গীর ঘটনার পর ওই নেতাও নিজের আচরণ সংশোধন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন।