
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে চা শ্রমিকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের কনিষ্ঠ পুত্র ও সায়হাম নিট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ।
মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি চুনারুঘাটের বিভিন্ন চা বাগানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় চা শ্রমিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান। উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তাঁকে কাছে পেয়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
পরিদর্শনকালে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য এ দেশে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। বিগত সংসদ নির্বাচনে সুখে-দুঃখে এবং পূজা-পার্বণে মানুষের পাশে থাকার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা অনুযায়ী তাঁরা মানুষের পাশে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। এ বছর দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিনীতি ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উৎসব পালন করছেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে হবে।
চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে শাফকাত আহমেদ বলেন, চা বাগানের অনেক মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার মধ্যে বসবাস করছেন। তাঁদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন জরুরি। সরকার চায়, চা শ্রমিকেরা দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় যুক্ত হোন। এ জন্য তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং জীবনমান উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসব কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; উৎসবের আনন্দ সবার। পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে হবে।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক পৌর মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসু, অ্যাডভোকেট মীর সিরাজসহ চা বাগানের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বার্তা প্রেরক: মো. আইয়ুব খান
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















