
পারভেজ হাসান,লাখাই প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় সেপ্টেম্বর মাসে রাসায়নিক সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। চলতি মাসে কৃষকদের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ও ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়ায় স্বস্তিতে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে লাখাই উপজেলায় মোট ২ হাজার মেট্রিক টন রাসায়নিক সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ইউরিয়া ৮৫০ টন, ডিএপি ৭৫০ টন, টিএসপি ৩৫০ টন এবং এমওপি ৬০ টন রয়েছে।
বরাদ্দ করা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহেদুল ইসলাম নিজে বিভিন্ন ডিলারের দোকানে গিয়ে সার বিক্রি ও বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। সরকারি ছুটির দিনেও তিনি তদারকির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহেদুল ইসলাম বলেন, কৃষকরা যাতে কোনোভাবেই সারের সংকট কিংবা কৃত্রিম সংকটের মুখে না পড়েন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারেন, সে বিষয়ে কৃষি বিভাগ সতর্ক রয়েছে। এজন্য নিয়মিত ডিলারদের সার বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে সার সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে। প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের সক্রিয় তদারকির কারণে বর্তমানে উপজেলায় সারের বাজারে শৃঙ্খলা রয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, প্রয়োজনের সময় ন্যায্যমূল্যে পর্যাপ্ত সার পাওয়া গেলে ফসল উৎপাদনে তাদের খরচ ও দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। চলতি মাসে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ থাকায় জমিতে প্রয়োজন অনুযায়ী সার প্রয়োগ করতে পারছেন তারা।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























