ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান Logo মাধবপুরের আব্দুল কাইয়ুমের ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সাফল্য Logo হবিগঞ্জে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ৮১৫ কোটি টাকার প্রকল্প: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo সার ডিলার নিয়োগের তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে, চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ হয়নি Logo নাসিরনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত Logo হাইমচর আইডিয়াল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ, পুরস্কার বিতরণ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা Logo লাখাইয়ে মাদক-চুরি রোধে ওয়ার্ডভিত্তিক সভার সিদ্ধান্ত Logo হাইমচরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মিছিল ও আলোচনা সভা Logo মাধবপুর পৌরসভায় ১,৭০০ গাছ লাগাতে ব্যয় ১৭ লাখ, সরেজমিনে মিলল দেড় শতাধিক Logo মিরপুর-১০-এ ফুটপাত উচ্ছেদ ঘিরে হামলা-ভাঙচুর, সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদির মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো নিয়ে তার মা হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে কাদির মিয়ার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদী হয়ে আব্দুল কাদির মিয়াকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ৮ মে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল কাদির মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

error:

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদির মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো নিয়ে তার মা হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে কাদির মিয়ার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদী হয়ে আব্দুল কাদির মিয়াকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ৮ মে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল কাদির মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।