ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান Logo কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের লাশ হস্তান্তর Logo চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo মাধবপুরে মায়ের অস্থি সংগ্রহ করতে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু Logo এমপির গলায় রামদা ঠেকিয়ে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ, সৎভাইসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo মাধবপুরে বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, পাল্টা জিডি Logo লাখাইয়ে দপ্তরির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo আজমিরীগঞ্জে ফল ব্যবসায়ীর মোবাইল নেওয়ার অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহারের সুপারিশ Logo বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী Logo এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না: নতুন নীতিমালা জারি

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদির মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো নিয়ে তার মা হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে কাদির মিয়ার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদী হয়ে আব্দুল কাদির মিয়াকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ৮ মে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল কাদির মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

error:

চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতা আব্দুল কাদির মিয়াকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদির মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার টেকারঘাট গ্রামের মৃত রেজ্জাক মিয়ার ছেলে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কাদির মিয়ার স্ত্রী বীনা সরকার বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো নিয়ে তার মা হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ৬ মার্চ দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার দুধপাতিল গ্রামে শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে দা দিয়ে শাশুড়ি হাজেরা খাতুন ওরফে মুল্লুক চানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে কাদির মিয়ার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মনির সরকার বাদী হয়ে আব্দুল কাদির মিয়াকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ৮ মে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল কাদির মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধরনের হত্যা মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।