
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, মানুষের কল্যাণ ও জনগণের মুখে হাসি ফোটানোই তার পবিত্র দায়িত্ব। তিনি বলেন, “মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব। আমি চা বাগানের শ্রমিক ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল বাধা উপেক্ষা করে বিএনপিকে হবিগঞ্জ-৪ আসন উপহার দিয়েছেন। এখন থেকে চা বাগানের মানুষের সঙ্গে আমাদের কোনো বিভেদ নেই, আমরা সবাই একটি পরিবার।”
মঙ্গলবার দুপুরে চাঁনপুর চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গালিব চৌধুরী।
এমপি সৈয়দ ফয়সল আরও বলেন, “জাতীয় সংসদে আমি চা শ্রমিকদের ভূমি অধিকারসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।”
সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, চা বাগানের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন নিশ্চিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য।
বিশেষ অতিথি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বাগানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সৈয়দ লিয়াকত হাসান, নাজিম উদ্দিন শামসু, আনোয়ারুল ইসলাম, নৃপেন পাল, উজ্জ্বল কুমার দাস ও ভজন ভৌমিক।
সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন হচ্ছে। তিন মাসে ১৭টি মন্দিরে অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও ঘর নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া চা বাগানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে নতুন টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে। আগে এসব সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা না থাকলেও বর্তমানে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের প্রচেষ্টায় আগামীতে চা বাগানের সব নাগরিক সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















