
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৮নং বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের উদ্যোগে নবীন ও প্রবীণ আলেম-উলামা, হাফেজ ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বুল্লা ইউনিয়নে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাফেজ কুতুবুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা খাইরুল ইসলাম খান খোকন, মুফতি মাওলানা খাদেমুল ইসলাম নুর, হাফেজ মাওলানা নাজমুল হক শাহিন এবং মাওলানা আমজাদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা শাহ গিয়াস উদ্দিন, সভাপতি, মাধবপুর উপজেলা উলামা পরিষদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি ওয়াজেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক, মাধবপুর উপজেলা উলামা পরিষদ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মুফতি মারগুবুর রহমান, ক্বারী নুরুদ্দিনসহ উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-উলামা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্বাগত বক্তব্য দেন মুফতি মাওলানা যুবায়ের আহমদ। বক্তব্য রাখেন বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা আরিফুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল আলিম, ক্বারী মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, হাফেজ মোবারক মোল্লা, হাফেজ মাওলানা মুর্শিদুর রহমান, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মুফতি মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম খান, বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমদ টেনু, হাফেজ আব্দুল মতিন, মুফতি ইসমাইল রহমানী, মাওলানা সুলাইমান চৌধুরী ও হাফেজ ইদ্রিসসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বুল্লা ইউনিয়ন উলামা পরিষদের পক্ষ থেকে ৮০ জন আলেম, হাফেজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরও সম্মাননা জানানো হয়। প্রবীণ আলেম ও হাফেজদের মাঝে ছাতা, ব্যাগ ও গেঞ্জি বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, উলামা পরিষদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। ইসলামের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, শিরক-বিদআত ও অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ এবং সমাজ সংস্কারে কার্যকর ভূমিকা পালন করাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাধবপুর উপজেলা উলামা পরিষদ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে মুফতি ওয়াজেদ আলী বলেন, “আমরা উলামা পরিষদের জন্য, উলামা পরিষদ সকলের জন্য।”
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















