ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার, চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত Logo এনসিপির উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসে দিনব্যাপী মনিটরিং Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আতঙ্ক: ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে চিকিৎসা Logo মাধবপুরে জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৩০ Logo মাধবপুরে মসজিদের ইমামের ঘরে দুর্ধর্ষ চুরি, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ Logo মনতলায় তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, তদন্ত প্রতিবেদন জমায় বিলম্ব Logo মাধবপুরে আগের চুরির রেশ কাটেনি, আবারও সেচ প্রকল্পে হাত: ফসল হারানোর শঙ্কায় কৃষক Logo মাধবপুরে আইজিএ প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন আহ্বান Logo মাধবপুরের সুরমা চা বাগানে ৪ সপ্তাহ ধরে মজুরি বন্ধ: মানবেতর জীবনে ২ হাজার শ্রমিক Logo লাখাইয়ে গাছ কাটতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার, চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ চার সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হয়েছে হবিগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ সুরমা চা বাগান। বাগান বন্ধ থাকায় প্রায় দুই হাজারেরও বেশি শ্রমিক পরিবারের জীবনে নেমে এসেছিল চরম দুর্ভোগ। রেশন ও তলব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারে দেখা দেয় খাদ্যসংকট। এমন সংকটময় মুহূর্তে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সলের ছেলে এবং সায়হাম গ্রুপের নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ।

জানা যায়, এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশে তার ছেলে শাফকাত আহমেদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে শ্রমিক পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকার চাল বিতরণ করেন। সুরমা চা বাগানের সদর, মাহঝিল, ২০ নম্বর ও ১০ নম্বর ডিভিশনের শ্রমিকদের মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। অনেক পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যও সংকট দেখা দেয়। ঠিক এমন সময় শাফকাত আহমেদের এই সহায়তা শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি এনে দেয়।

সাবেক ভ্যালি সভাপতি আবিরত বাক্তি বলেন, “চা বাগানে যখন খাবারের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছিল, ঠিক তখনই আমাদের এমপি সাহেব সহযোগিতার হাত বাড়ান। বাগান পুনরায় চালুর জন্যও তিনি কাজ করেছেন। তার নির্দেশে তার ছেলে আজ শ্রমিকদের মাঝে চাল বিতরণ করেছেন, এতে শ্রমিক পরিবারগুলো অনেক খুশি।”

ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ বলেন, “এই সহায়তা শ্রমিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতে তাদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়েছে।”

এ বিষয়ে সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ বলেন, “আমরা অবহেলিত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমরা কথা দিয়েছিলাম—যেকোনো দুর্যোগে তাদের পাশে থাকব। আজ সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই আমরা এই সহায়তা প্রদান করেছি। এখন বাগান আবার চালু হয়েছে, এতে আমরা সবাই আনন্দিত। ভবিষ্যতেও আমাদের সাধ্যমতো শ্রমিকদের পাশে থাকব।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হওয়ায় সুরমা চা বাগানে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে। শ্রমিকদের মাঝে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তাদের মুখে ফিরেছে হাসি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার, চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত

error:

দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার, চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত

আপডেট সময় ০৮:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ চার সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হয়েছে হবিগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ সুরমা চা বাগান। বাগান বন্ধ থাকায় প্রায় দুই হাজারেরও বেশি শ্রমিক পরিবারের জীবনে নেমে এসেছিল চরম দুর্ভোগ। রেশন ও তলব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারে দেখা দেয় খাদ্যসংকট। এমন সংকটময় মুহূর্তে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সলের ছেলে এবং সায়হাম গ্রুপের নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ।

জানা যায়, এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশে তার ছেলে শাফকাত আহমেদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে শ্রমিক পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকার চাল বিতরণ করেন। সুরমা চা বাগানের সদর, মাহঝিল, ২০ নম্বর ও ১০ নম্বর ডিভিশনের শ্রমিকদের মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। অনেক পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যও সংকট দেখা দেয়। ঠিক এমন সময় শাফকাত আহমেদের এই সহায়তা শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি এনে দেয়।

সাবেক ভ্যালি সভাপতি আবিরত বাক্তি বলেন, “চা বাগানে যখন খাবারের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছিল, ঠিক তখনই আমাদের এমপি সাহেব সহযোগিতার হাত বাড়ান। বাগান পুনরায় চালুর জন্যও তিনি কাজ করেছেন। তার নির্দেশে তার ছেলে আজ শ্রমিকদের মাঝে চাল বিতরণ করেছেন, এতে শ্রমিক পরিবারগুলো অনেক খুশি।”

ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ বলেন, “এই সহায়তা শ্রমিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতে তাদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়েছে।”

এ বিষয়ে সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ বলেন, “আমরা অবহেলিত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমরা কথা দিয়েছিলাম—যেকোনো দুর্যোগে তাদের পাশে থাকব। আজ সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই আমরা এই সহায়তা প্রদান করেছি। এখন বাগান আবার চালু হয়েছে, এতে আমরা সবাই আনন্দিত। ভবিষ্যতেও আমাদের সাধ্যমতো শ্রমিকদের পাশে থাকব।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হওয়ায় সুরমা চা বাগানে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে। শ্রমিকদের মাঝে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তাদের মুখে ফিরেছে হাসি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।