ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে দুই প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৪১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার Logo মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান সিনেটে জয়ী আবদুল এল-সায়েদ, হতে যাচ্ছেন প্রথম মুসলিম সিনেটর Logo চা শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকারে চাঁন্দপুরে নিপেন পাল প্যানেলের মতবিনিময় Logo মাধবপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদানে মেতে উঠলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo জামালপুরে ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন Logo মাধবপুরে তিন বছর পর সেফটি ট্যাংক থেকে মিলল মহব্বত আলীর দেহাবশেষ, হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন Logo মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ Logo ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবি পরিবর্তন, দফাদার হলেন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’

চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় পুড়ল ব্যবসায়ীর স্বপ্ন: লাখাইয়ে এক্সকাভেটর ভস্মীভূত, থানায় অভিযোগ

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীর এক্সকাভেটর (ভেকু) পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের দাবিকৃত দুই লাখ টাকা না পাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

ঘটনাটি ঘটে উপজেলার করাব ইউনিয়নের ফাঁটা বিল এলাকায়। এতে হলুদ রঙের একটি এক্সকাভেটর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. ফজল মিয়া (৪২), পিতা—মৃত ছবদুল মিয়া, সাং—করাব, বাদী হয়ে নোয়াব আলী (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও ২–৩ জনের বিরুদ্ধে লাখাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. ফজল মিয়া দীর্ঘ ২১–২২ বছর ধরে এলাকায় মাটি কাটা ও ভরাট কাজের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্ত নোয়াব আলী করাব গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ফজল মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ফজল মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার রাতে ফজল মিয়ার ছেলে জিহাদ হাসান এক্সকাভেটর পাহারা দিতে ফাঁটা বিল এলাকায় গেলে অভিযুক্ত নোয়াব আলীকে হাতে প্লাস্টিকের কৌটা নিয়ে হাওরের দিকে যেতে দেখেন। কিছু সময় পর তিনি দেখতে পান, নোয়াব আলী ও তার সহযোগীরা এক্সকাভেটরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যেই গাড়িটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফজল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, নোয়াব আলী দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বনটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়ার এবং খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এতে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে দুই প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

error:

চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় পুড়ল ব্যবসায়ীর স্বপ্ন: লাখাইয়ে এক্সকাভেটর ভস্মীভূত, থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীর এক্সকাভেটর (ভেকু) পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের দাবিকৃত দুই লাখ টাকা না পাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

ঘটনাটি ঘটে উপজেলার করাব ইউনিয়নের ফাঁটা বিল এলাকায়। এতে হলুদ রঙের একটি এক্সকাভেটর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. ফজল মিয়া (৪২), পিতা—মৃত ছবদুল মিয়া, সাং—করাব, বাদী হয়ে নোয়াব আলী (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও ২–৩ জনের বিরুদ্ধে লাখাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. ফজল মিয়া দীর্ঘ ২১–২২ বছর ধরে এলাকায় মাটি কাটা ও ভরাট কাজের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্ত নোয়াব আলী করাব গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ফজল মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ফজল মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ঘটনার রাতে ফজল মিয়ার ছেলে জিহাদ হাসান এক্সকাভেটর পাহারা দিতে ফাঁটা বিল এলাকায় গেলে অভিযুক্ত নোয়াব আলীকে হাতে প্লাস্টিকের কৌটা নিয়ে হাওরের দিকে যেতে দেখেন। কিছু সময় পর তিনি দেখতে পান, নোয়াব আলী ও তার সহযোগীরা এক্সকাভেটরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যেই গাড়িটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফজল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, নোয়াব আলী দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বনটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়ার এবং খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এতে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।