
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নির্বাচন এলেই কিছু পরিচিত মুখের আবির্ভাব ঘটে—যাদের দেখা মেলে কেবল ভোটের মৌসুমে। এমন মন্তব্য করে বিএনপি নেতা সৈয়দ ইশতিয়াক বলেছেন, নির্বাচন এলে বসন্তের কোকিলের মতো কিছু লোক জনগণের সামনে আসে, যারা ভোট নিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে পরে আর জনগণের খোঁজ রাখে না। বারবার ভুল নেতৃত্ব নির্বাচন করার কারণেই মাধবপুর–চুনারুঘাট অঞ্চল আজ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
তিনি বলেন, বৃহত্তর স্বার্থ উপেক্ষা করে আমরা বিভক্ত হয়ে পড়েছি। এই বিভক্তির সুযোগ নিয়ে একটি মহল দীর্ঘদিন জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে এবং বঞ্চিত করেছে। এর ভয়াবহ পরিণতি আজ দৃশ্যমান—একটি জাতি, একটি গোষ্ঠী ও একটি প্রজন্মকে এর খেসারত দিতে হচ্ছে।
সৈয়দ ইশতিয়াক আরও বলেন, মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ব্রিজ, রাস্তাঘাটসহ মৌলিক অবকাঠামোগত নানা সমস্যা এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন সৎ, সাহসী ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ নেতৃত্ব।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই কর্মসূচির ভিত্তিতেই একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে এই ৩১ দফা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট। এই নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ নিরাপদ হবে। হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করলে তিনি এই অঞ্চলকে একটি সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার সকালে মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, বিএনপি নেতা আ. আলীম মীর বাদল, ফিরোজ উদ্দিন, আনিছুল আবদাল শাহ লিটন, হামিদুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 





















