ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ Logo দোয়ারাবাজারে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয়

error:

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

আপডেট সময় ১১:৫১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।