ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে কিশোরের মরদেহ, উদ্ধারে বিজিবি-বিএসএফের সমন্বয়ের উদ্যোগ Logo আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট Logo সায়হাম গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচা তুলা প্রতিনিধি দল Logo মাধবপুরে নবাগত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ Logo ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি নিয়ে মাধবপুরে বিভ্রান্তি Logo সেবার মানোন্নয়নে পরিবর্তন, দালাল তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন Logo বিএনপিতে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমের ঠাঁই নেই: এমপি ফয়সল Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষক ১৫ বছর ধরে বেতনহীন Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে সিসি ক্যামেরা অচল, দফায় দফায় চুরিতে ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক Logo এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে কিশোরের মরদেহ, উদ্ধারে বিজিবি-বিএসএফের সমন্বয়ের উদ্যোগ

error:

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

আপডেট সময় ১১:৫১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।