ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন Logo লাখাইয়ে ৭৩৩ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনার অর্থ বিতরণ Logo লাখাইয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ Logo মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে দিনব্যাপী অভিযান, ড্রেজার-বেকো-পাইপ ধ্বংস Logo মাধবপুরের কৃষকপুত্র আশেক মিয়ার বিসিএস জয়, শিক্ষা ক্যাডারে গেজেটভুক্ত Logo মাদক সেবনে বাবা-মাকে মারধর, যুবকের ৬ মাসের জেল Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনসারদের আবাসনে চরম দুর্ভোগ, তিন মাসেও মেলেনি ফ্যান Logo মাধবপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান Logo মাধবপুরের আব্দুল কাইয়ুমের ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সাফল্য Logo হবিগঞ্জে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ৮১৫ কোটি টাকার প্রকল্প: বাণিজ্যমন্ত্রী

নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে মোবাইল চুরির লাগাম, রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে ফিরেছে যাত্রীদের স্বস্তি

বাংলার খবর ডেস্ক সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই প্রায় প্রতিদিনই নোয়াপাড়া রেলস্টেশন থেকে মোবাইল ছিনতাই বা চুরির কোনো না কোনো অভিযোগ চোখে পড়ত। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই রেলস্টেশনটি এক সময় মোবাইল চোরদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। বারবার অভিযোগ উঠলেও দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।

এমন পরিস্থিতিতে নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে রেলওয়ে পুলিশের একটি স্থায়ী ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়। ফাঁড়ি স্থাপনের পর মাত্র এক মাসের ব্যবধানে স্টেশনের পরিস্থিতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই এক মাসে নোয়াপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় নতুন করে কোনো মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটেনি। বরং নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে দুইজন চিহ্নিত মোবাইল চোরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।

ঢাকাগামী এক যাত্রী নোয়াপাড়া রেলস্টেশনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, “আগে এই স্টেশনে এলেই আমাদের মনে ভয় কাজ করত। কখন, কোথায় মোবাইল ছিনতাই হয়ে যায়—এই আতঙ্কে থাকতে হতো। এখন শুনেছি এখানে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি বসেছে। এতে আমরা অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছি। আশা করছি, এখন নিরাপদেই যাতায়াত করতে পারব।”

উল্লাপাড়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা জানান, আগে নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে মোবাইল চুরির ঘটনা প্রায়ই ঘটত। তবে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পর গত এক মাসে এখন পর্যন্ত কোনো চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, “এরই মধ্যে আমরা দুজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছি। আমাদের লক্ষ্য এই এলাকা ও রেলস্টেশনকে পুরোপুরি অপরাধমুক্ত করা এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের ফলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। নিয়মিত টহল ও অভিযানের মাধ্যমে এই ধারা অব্যাহত থাকলে স্টেশনটি যাত্রীবান্ধব ও নিরাপদ এলাকায় পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

Tag :

সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন

error:

নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে মোবাইল চুরির লাগাম, রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে ফিরেছে যাত্রীদের স্বস্তি

আপডেট সময় ০৭:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই প্রায় প্রতিদিনই নোয়াপাড়া রেলস্টেশন থেকে মোবাইল ছিনতাই বা চুরির কোনো না কোনো অভিযোগ চোখে পড়ত। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই রেলস্টেশনটি এক সময় মোবাইল চোরদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। বারবার অভিযোগ উঠলেও দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।

এমন পরিস্থিতিতে নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে রেলওয়ে পুলিশের একটি স্থায়ী ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়। ফাঁড়ি স্থাপনের পর মাত্র এক মাসের ব্যবধানে স্টেশনের পরিস্থিতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই এক মাসে নোয়াপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় নতুন করে কোনো মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটেনি। বরং নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে দুইজন চিহ্নিত মোবাইল চোরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।

ঢাকাগামী এক যাত্রী নোয়াপাড়া রেলস্টেশনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, “আগে এই স্টেশনে এলেই আমাদের মনে ভয় কাজ করত। কখন, কোথায় মোবাইল ছিনতাই হয়ে যায়—এই আতঙ্কে থাকতে হতো। এখন শুনেছি এখানে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি বসেছে। এতে আমরা অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছি। আশা করছি, এখন নিরাপদেই যাতায়াত করতে পারব।”

উল্লাপাড়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা জানান, আগে নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে মোবাইল চুরির ঘটনা প্রায়ই ঘটত। তবে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পর গত এক মাসে এখন পর্যন্ত কোনো চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, “এরই মধ্যে আমরা দুজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছি। আমাদের লক্ষ্য এই এলাকা ও রেলস্টেশনকে পুরোপুরি অপরাধমুক্ত করা এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, নোয়াপাড়া রেলস্টেশনে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের ফলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। নিয়মিত টহল ও অভিযানের মাধ্যমে এই ধারা অব্যাহত থাকলে স্টেশনটি যাত্রীবান্ধব ও নিরাপদ এলাকায় পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।