
বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে সিএনজি ব্যবহার করে ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে রাতের বেলায় যাত্রীবেশে ছিনতাইকারীরা সিএনজিতে উঠে পথচারী ও যাত্রীদের টার্গেট করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যার পর ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় হোটেল আল-আমিনের সামনে একটি বাস বিকল হয়ে যায়। ওই বাসে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে ছিলেন কাজী আজহারুল ইসলাম লিংকন। বাস নষ্ট হওয়ার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে একটি সিএনজি এসে থামে। সিএনজিটিতে সামনে দুজন ও পেছনে দুজন যাত্রী বসা ছিল, একটি সিট ফাঁকা থাকায় তাড়াহুড়ো করে তিনি সিএনজিতে ওঠেন।
সিএনজিটি নারাইনপুর এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবেশে থাকা দুজন ব্যক্তি হঠাৎ ছুরি বের করে তার কাছে থাকা টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দেন তিনি। এতে তার হাত ও পায়ে গুরুতর কাটা জখম হয়। পরে সিএনজিটি ঘুরে আবার তার দিকে এলে তিনি দ্রুত নারাইনপুর গ্রামের ভেতরে ঢুকে নিজেকে রক্ষা করেন।
ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলে তিনি ওই এলাকায় অভিযান জোরদারের আশ্বাস দেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাধবপুর এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে সিএনজি ব্যবহার করে এ ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে।
এদিকে সচেতন মহল রাতে একা বা অপরিচিত যাত্রীসহ সিএনজিতে চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য রোধে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























