
বাংলার খবর ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটবদ্ধ নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার অবসান ঘটিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট করেছেন—কোনো দল নির্বাচনকালীন জোট করলেও ভোটে অংশ নিতে হবে নিজ নিজ দলীয় প্রতীকেই। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ টানা শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেন।
দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার শুনানির পর আদালত রুল খারিজ করে জানিয়ে দেন, নির্বাচন আইন অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে তাদের স্বীকৃত প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। ফলে জোট করা রাজনৈতিক দলগুলো অন্যের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। এ রায়ের পর নির্বাচন পদ্ধতি আরও সুস্পষ্ট হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম ও ব্যারিস্টার সাহেদুল আজম। অন্যদিকে এনসিপিসহ একাধিক রাজনৈতিক দল রিটের বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।
এর আগে ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে প্রশ্ন তুলেছিলেন—জোটবদ্ধ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। নির্বাচন কমিশনকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায়ে পরিষ্কার হলো যে, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালাই বহাল থাকছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ হবে এবং ভোটাররা জোটভুক্ত হলেও প্রতিটি দলের বৈধ প্রতীক শনাক্ত করতে সুবিধা পাবেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























