
বাংলার খবর ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ তপশিল ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার এবং বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে তা একযোগে প্রচারিত হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন—এ পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
তপশিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, আইন লঙ্ঘন করলে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, দেশের ৩০০টি আসনেই তপশিল ঘোষণা করা হবে। গাজীপুর ও বাগেরহাটের সীমানা সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অনুসারে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হচ্ছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। এর জন্য নির্ধারিত অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে। তপশিল ঘোষণার পর থেকেই নিবন্ধন শুরু হবে। পোলিং অফিসারদের নিবন্ধন ১৬–১৭ ডিসেম্বর এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের নিবন্ধন ২১–২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এদিকে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে তপশিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত সারাদেশে প্রতিটি উপজেলা ও থানায় ন্যূনতম দুইজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ অনুযায়ী এসব ম্যাজিস্ট্রেট কাজ পরিচালনা করবেন।
জাতীয় নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল। রাজনৈতিক অঙ্গনেও নির্বাচনী উত্তাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















