ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চা বাগানে ছবি ও ‘সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন মাধবপুরের এসিল্যান্ড Logo মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন Logo মাধবপুরে প্রবাসীর ৩০ লাখ টাকা অর্থায়নে মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ Logo নাসিরনগরের বাঘী গ্রামে ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার, আতঙ্কে এলাকাবাসী Logo ৮ নভেম্বর সরকারি ছুটি কি না, জানাল ছুটির তালিকার তথ্য Logo সৌদি আরবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন, বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা Logo নাসিরনগরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঢাকায় সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নিলেন তারেক রহমান Logo রিয়াদ-দাম্মাম বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ, ঢাকায় ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল Logo জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত, পাল্টা ফায়ার বিজিবির

চা বাগানে ছবি ও ‘সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন মাধবপুরের এসিল্যান্ড

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়ের চা বাগানে তোলা ছবি এবং ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ফেসবুকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মৈত্রী রায় জানান, গত ৪ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মাধবপুর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। ওই সফরে তিনি প্রটোকলের দায়িত্বে ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী দুপুরের খাবার শেষে সেখান থেকেই বিদায় নেন। তিনি কোনো চা বাগান পরিদর্শন করেননি।

মৈত্রী রায় বলেন, প্রতিমন্ত্রীকে বিদায় জানিয়ে কার্যালয়ে ফেরার পথে চা বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সেখানে দাঁড়িয়ে কয়েকটি ছবি তোলেন। ছবির সঙ্গে ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশনটি দেন। তাঁর ভাষ্য, কাজের ব্যস্ততার মধ্যে ব্যক্তিগত সময় খুব একটা পাওয়া যায় না। তাই কাজের ফাঁকে নিজের জন্য কয়েক মিনিট বের করে নেওয়ার বিষয়টি বোঝাতেই এমন ক্যাপশন ব্যবহার করেছিলেন। এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া কাল্পনিক বা রসাত্মক ক্যাপশন।

নিজের ছবি তোলা ও ব্যক্তিগত আইডিতে প্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে থেকে নিজের ছবি তোলা কিংবা ব্যক্তিগত আইডিতে প্রকাশ করা যাবে না, এমন কোনো আইন তাঁর জানা নেই। পাশাপাশি নিজের কর্মস্থলের এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে প্রচার করাও দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন তিনি।

পোস্টে একটি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন মৈত্রী রায়। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশের পাশাপাশি বিতর্কিত ক্যাপশন ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথম সারির একটি গণমাধ্যমের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশা করেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলার খবর ডেস্ক

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চা বাগানে ছবি ও ‘সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন মাধবপুরের এসিল্যান্ড

error:

চা বাগানে ছবি ও ‘সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন মাধবপুরের এসিল্যান্ড

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়ের চা বাগানে তোলা ছবি এবং ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ফেসবুকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মৈত্রী রায় জানান, গত ৪ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মাধবপুর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। ওই সফরে তিনি প্রটোকলের দায়িত্বে ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী দুপুরের খাবার শেষে সেখান থেকেই বিদায় নেন। তিনি কোনো চা বাগান পরিদর্শন করেননি।

মৈত্রী রায় বলেন, প্রতিমন্ত্রীকে বিদায় জানিয়ে কার্যালয়ে ফেরার পথে চা বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সেখানে দাঁড়িয়ে কয়েকটি ছবি তোলেন। ছবির সঙ্গে ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল’ ক্যাপশনটি দেন। তাঁর ভাষ্য, কাজের ব্যস্ততার মধ্যে ব্যক্তিগত সময় খুব একটা পাওয়া যায় না। তাই কাজের ফাঁকে নিজের জন্য কয়েক মিনিট বের করে নেওয়ার বিষয়টি বোঝাতেই এমন ক্যাপশন ব্যবহার করেছিলেন। এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া কাল্পনিক বা রসাত্মক ক্যাপশন।

নিজের ছবি তোলা ও ব্যক্তিগত আইডিতে প্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে থেকে নিজের ছবি তোলা কিংবা ব্যক্তিগত আইডিতে প্রকাশ করা যাবে না, এমন কোনো আইন তাঁর জানা নেই। পাশাপাশি নিজের কর্মস্থলের এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে প্রচার করাও দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন তিনি।

পোস্টে একটি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন মৈত্রী রায়। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশের পাশাপাশি বিতর্কিত ক্যাপশন ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথম সারির একটি গণমাধ্যমের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশা করেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলার খবর ডেস্ক