
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৪ নম্বর বামৈ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামীণ সড়কগুলোর বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এসব সড়কে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে হাজী কালন মিয়ার বাড়ি থেকে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা সবচেয়ে নাজুক বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কজুড়ে কাদা ও পানি জমে যায়। তৈরি হয় ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ। বৃষ্টির পানিতে গর্তগুলো ডুবে থাকায় সেগুলোর গভীরতা বোঝা যায় না। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের।
সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের ভাষ্য, জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। বিশেষ করে প্রসূতি ও গর্ভবতী নারীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কখনো কখনো রোগীদের খাটিয়া কিংবা কোলে করে মূল সড়কে নিয়ে যেতে হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
এ দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা মো. মনিরুল ইসলাম, মো. বাইজিদ মিয়া, মো. সাদ্দাম মিয়া, মনিরুল ইসলাম আলমগীর ও তোফাজ্জল মিয়াসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক করা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করা হোক।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারেক হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, সড়কটির বেহাল অবস্থা ও স্থানীয়দের দুর্ভোগের বিষয়ে বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক বলেন, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁরা অবগত আছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বাজেট ও সরকারি বরাদ্দ অনুমোদন পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















