ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন, দেড় ঘণ্টার বেশি ট্রেন চলাচল বন্ধ Logo আন্দিউড়া ইউনিয়নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোত্তাকিম চৌধুরী Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক তিন অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ Logo ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী বিএনপি: এমপি ফয়সল Logo ৩৮ পিস ইয়াবাসহ লাখাইয়ে দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার Logo গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ Logo প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন: আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেবে ডিবি Logo কাতারে গ্রেপ্তার বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান Logo লাখাই-হবিগঞ্জ সড়কে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, আতঙ্কে চালক-যাত্রীরা Logo লাখাইয়ে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সিসি ঢালাই করলেন চেয়ারম্যান নোমান সারোয়ার জনি

শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন, দেড় ঘণ্টার বেশি ট্রেন চলাচল বন্ধ

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় সিলেটগামী আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন শত শত যাত্রী। আগুন লাগার খবরে ট্রেনের ভেতরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে প্রবেশ করে। এর আগে স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া দেখতে পান চালক। পরে সতর্কতার সঙ্গে ধীরে ধীরে ট্রেনটি স্টেশনে নিয়ে আসেন তিনি।

খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুন নেভানোর পর ইঞ্জিনে বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে ট্রেনটির যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়।

ইঞ্জিনে আগুন লাগার খবরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকেই হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন বলে জানা গেছে।

দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন। স্টেশনে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় এবং আশপাশে বিকল্প পরিবহন সুবিধা না পাওয়ায় অনেক যাত্রীকে তীব্র গরমের মধ্যে অপেক্ষা করতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ট্রেনটি স্টেশনে আটকে ছিল।

ট্রেনের যাত্রী রফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঢাকা থেকে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করে আসছি, সিলেটের কাছাকাছি এসে এমন বিপদে পড়ব ভাবিনি।”

শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশনমাস্টার নাজিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি সরিয়ে আখাউড়া থেকে বিকল্প একটি ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। বিকল্প ইঞ্জিন পৌঁছালে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

ট্রেনের পরিচালক জহির উদ্দিন বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের আউটার এলাকায় ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে চালক সতর্কতার সঙ্গে ট্রেনটি স্টেশনে নিয়ে আসেন এবং আগুন যাতে যাত্রীবাহী বগিতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য ইঞ্জিনটি বগি থেকে আলাদা করে রাখা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন, দেড় ঘণ্টার বেশি ট্রেন চলাচল বন্ধ

error:

শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন, দেড় ঘণ্টার বেশি ট্রেন চলাচল বন্ধ

আপডেট সময় ১০:০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় সিলেটগামী আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন শত শত যাত্রী। আগুন লাগার খবরে ট্রেনের ভেতরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে প্রবেশ করে। এর আগে স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া দেখতে পান চালক। পরে সতর্কতার সঙ্গে ধীরে ধীরে ট্রেনটি স্টেশনে নিয়ে আসেন তিনি।

খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুন নেভানোর পর ইঞ্জিনে বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে ট্রেনটির যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়।

ইঞ্জিনে আগুন লাগার খবরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকেই হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন বলে জানা গেছে।

দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন। স্টেশনে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় এবং আশপাশে বিকল্প পরিবহন সুবিধা না পাওয়ায় অনেক যাত্রীকে তীব্র গরমের মধ্যে অপেক্ষা করতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ট্রেনটি স্টেশনে আটকে ছিল।

ট্রেনের যাত্রী রফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঢাকা থেকে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করে আসছি, সিলেটের কাছাকাছি এসে এমন বিপদে পড়ব ভাবিনি।”

শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশনমাস্টার নাজিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি সরিয়ে আখাউড়া থেকে বিকল্প একটি ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। বিকল্প ইঞ্জিন পৌঁছালে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

ট্রেনের পরিচালক জহির উদ্দিন বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের আউটার এলাকায় ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে চালক সতর্কতার সঙ্গে ট্রেনটি স্টেশনে নিয়ে আসেন এবং আগুন যাতে যাত্রীবাহী বগিতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য ইঞ্জিনটি বগি থেকে আলাদা করে রাখা হয়।