ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, বিতরণে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব Logo ভারত থেকে বাংলাদেশে এলো রেলের ১৮টি নতুন কোচ, আসছে আরও ১৮২টি Logo মাধবপুরে স্কুলছাত্রী তাহমিনা নিখোঁজের এক মাস, এখনো মেলেনি সন্ধান Logo যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁস: সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভশক্তির বিজয়ের প্রতীক: হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো Logo চুনারুঘাটের কালেঙ্গা বনে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব Logo লাখাইয়ে চেক ডিজঅনার মামলায় ২০ লাখ টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo ফেক আইডি খুলে অপপ্রচার, লাখাইয়ে সালিশে ক্ষমা চাইল অভিযুক্তের পরিবার Logo দুর্গাপূজায় সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা, দায়িত্বে এসআরবির ৬ হাজারের বেশি সদস্য Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুর্গাপূজার উপহার বিতরণ

মাধবপুরে স্কুলছাত্রী তাহমিনা নিখোঁজের এক মাস, এখনো মেলেনি সন্ধান

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বানেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার নিখোঁজের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান মেলেনি। তাকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। মেয়েকে দ্রুত উদ্ধার ও মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তার বাবা নূর আলী।

এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে বানেশ্বর গ্রামের কবরস্থানের পাশ থেকে তাহমিনাকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাহমিনা মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের জোয়ালভাঙা গ্রামের নূর আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন জোয়ালভাঙা গ্রামের এলাম মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২০), শাহ আলম মিয়ার ছেলে শুভ মিয়া (২১), মৃত আরজু মিয়ার ছেলে এলাম মিয়া (৫০) এবং মৃত নূর ইসলামের ছেলে শাহ আলম মিয়া (৪৫)।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, তাহমিনাকে গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর তাহমিনার বাবা নূর আলী মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আদালতে নারী নির্যাতন ও অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

তাহমিনার বাবা নূর আলী বলেন, “আমার মেয়েকে অপহরণের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো খুঁজে পাচ্ছি না। আদালতে মামলা করার পর আসামিরা সদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার মেয়ে বেঁচে আছে কি না, অন্তত সেই খবরটুকু জানতে চাই।”

অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের অধিকাংশের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ মৃদুল হাসান তরফদার বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে বাদীপক্ষ পুলিশকে সহযোগিতা করছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টার কমতি নেই।

নিখোঁজ তাহমিনার সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, বিতরণে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব

error:

মাধবপুরে স্কুলছাত্রী তাহমিনা নিখোঁজের এক মাস, এখনো মেলেনি সন্ধান

আপডেট সময় ১০:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বানেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার নিখোঁজের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান মেলেনি। তাকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। মেয়েকে দ্রুত উদ্ধার ও মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তার বাবা নূর আলী।

এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে বানেশ্বর গ্রামের কবরস্থানের পাশ থেকে তাহমিনাকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাহমিনা মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের জোয়ালভাঙা গ্রামের নূর আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন জোয়ালভাঙা গ্রামের এলাম মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২০), শাহ আলম মিয়ার ছেলে শুভ মিয়া (২১), মৃত আরজু মিয়ার ছেলে এলাম মিয়া (৫০) এবং মৃত নূর ইসলামের ছেলে শাহ আলম মিয়া (৪৫)।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, তাহমিনাকে গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর তাহমিনার বাবা নূর আলী মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আদালতে নারী নির্যাতন ও অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

তাহমিনার বাবা নূর আলী বলেন, “আমার মেয়েকে অপহরণের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো খুঁজে পাচ্ছি না। আদালতে মামলা করার পর আসামিরা সদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার মেয়ে বেঁচে আছে কি না, অন্তত সেই খবরটুকু জানতে চাই।”

অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের অধিকাংশের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ মৃদুল হাসান তরফদার বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে বাদীপক্ষ পুলিশকে সহযোগিতা করছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টার কমতি নেই।

নিখোঁজ তাহমিনার সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।