ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে বাঁশের তৈরি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন শামছু মিয়া

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বুল্লা বাজারে সপ্তাহে দুই দিন বাঁশের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বসেন শামছু মিয়া। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বাজারের উন্মুক্ত স্থান কিংবা কোনো দোকানের বারান্দায় পসরা সাজিয়ে এসব পণ্য বিক্রি করেন তিনি।

বাঁশ দিয়ে তৈরি নানা ধরনের গ্রামীণ ও গৃহস্থালি সামগ্রী নিয়ে তার এই ছোট্ট ব্যবসা। স্থানীয় ক্রেতারাও প্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতে তার কাছে ভিড় করেন।

একসময় গ্রামবাংলার মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক সামগ্রী বাঁশ দিয়ে তৈরি হতো। তবে আধুনিকতার প্রসার এবং প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের ব্যাপক ব্যবহারে বাঁশশিল্পের কদর অনেকটাই কমে গেছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেক কারিগরও পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছেন।

এর মধ্যেও শামছু মিয়ার মতো মানুষেরা বাঁশের তৈরি পণ্য বিক্রির মাধ্যমে একদিকে জীবিকা নির্বাহ করছেন, অন্যদিকে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখছেন। তার এই ক্ষুদ্র ব্যবসা স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ
error:

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে বাঁশের তৈরি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন শামছু মিয়া

আপডেট সময় ০৬:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বুল্লা বাজারে সপ্তাহে দুই দিন বাঁশের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বসেন শামছু মিয়া। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বাজারের উন্মুক্ত স্থান কিংবা কোনো দোকানের বারান্দায় পসরা সাজিয়ে এসব পণ্য বিক্রি করেন তিনি।

বাঁশ দিয়ে তৈরি নানা ধরনের গ্রামীণ ও গৃহস্থালি সামগ্রী নিয়ে তার এই ছোট্ট ব্যবসা। স্থানীয় ক্রেতারাও প্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতে তার কাছে ভিড় করেন।

একসময় গ্রামবাংলার মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক সামগ্রী বাঁশ দিয়ে তৈরি হতো। তবে আধুনিকতার প্রসার এবং প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের ব্যাপক ব্যবহারে বাঁশশিল্পের কদর অনেকটাই কমে গেছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেক কারিগরও পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছেন।

এর মধ্যেও শামছু মিয়ার মতো মানুষেরা বাঁশের তৈরি পণ্য বিক্রির মাধ্যমে একদিকে জীবিকা নির্বাহ করছেন, অন্যদিকে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখছেন। তার এই ক্ষুদ্র ব্যবসা স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখছে।