ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

লাখাইয়ে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউপি চেয়ারম্যানের

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ২ নম্বর মোড়াকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন সেবা দিতে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার পরও সময়মতো সেবা না পাওয়ায় তাদের আর্থিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
মোড়াকড়ি ইউনিয়নের ভুক্তভোগী যুবক মো. মাসুক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দুটি জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য তিনি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার কাছে গেলে তার কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে এক থেকে দুই মাস ঘোরাঘুরির পর তিনি মাত্র একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়েছেন। অপরটির আবেদন ভুল হয়েছে বলে উপজেলা থেকে জানানো হয়।
মাসুক মিয়ার ভাষ্য, তিনি পেশায় দিনমজুর। জন্ম নিবন্ধনের বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে তাকে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার এক চাচির কাছ থেকেও দুই থেকে তিনটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পলি নামের এক কর্মী ফটোকপির কথা বলে তার কাছ থেকে আরও ৩০০ টাকা নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জন্ম নিবন্ধন সেবা নিতে গিয়ে উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার আচরণে তারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাদের দাবি, নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে আরও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. রুবেল মিয়া। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো অনিয়ম করেননি বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে ২ নম্বর মোড়াকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল মোল্লা বলেন, অভিযোগকারী মাসুক মিয়া ও উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার মধ্যকার ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তে উদ্যোক্তা রুবেল মিয়া দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

লাখাইয়ে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউপি চেয়ারম্যানের

আপডেট সময় ০৬:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ২ নম্বর মোড়াকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন সেবা দিতে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার পরও সময়মতো সেবা না পাওয়ায় তাদের আর্থিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
মোড়াকড়ি ইউনিয়নের ভুক্তভোগী যুবক মো. মাসুক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দুটি জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য তিনি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার কাছে গেলে তার কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে এক থেকে দুই মাস ঘোরাঘুরির পর তিনি মাত্র একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়েছেন। অপরটির আবেদন ভুল হয়েছে বলে উপজেলা থেকে জানানো হয়।
মাসুক মিয়ার ভাষ্য, তিনি পেশায় দিনমজুর। জন্ম নিবন্ধনের বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে তাকে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার এক চাচির কাছ থেকেও দুই থেকে তিনটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পলি নামের এক কর্মী ফটোকপির কথা বলে তার কাছ থেকে আরও ৩০০ টাকা নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জন্ম নিবন্ধন সেবা নিতে গিয়ে উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার আচরণে তারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাদের দাবি, নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে আরও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. রুবেল মিয়া। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো অনিয়ম করেননি বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে ২ নম্বর মোড়াকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল মোল্লা বলেন, অভিযোগকারী মাসুক মিয়া ও উদ্যোক্তা রুবেল মিয়ার মধ্যকার ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তে উদ্যোক্তা রুবেল মিয়া দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।