
ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এবার মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পেছনে কার ইশারা রয়েছে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে মোবাইল ফোন ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমের সুযোগ থাকবে না। ফলে ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ ভুক্তভোগীর কাছেই থাকবে না।
সাদিক কায়েম প্রশ্ন তুলে বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর ভর করে এই নব্য ফ্যাসিজম জাতির ওপর কারা চাপিয়ে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কারা দেশের তরুণদের ভয় পায় এবং কারা নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়— এসব প্রশ্নের উত্তর জাতিকে জানতে হবে।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সর্বস্তরের তরুণ ও যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। জুলাই আন্দোলনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তরুণদের হাতেই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডাকসু ভিপি বলেন, দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া কিংবা কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়নি। কমিশনের দায়িত্ব হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা।
তিনি স্পষ্টভাবে দাবি জানান, অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
এর আগে নির্বাচন কমিশন একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নির্দেশনায় বলা হয়, প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং নির্ধারিত দুইজন আনসার সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























