ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo এক হাতে ফোন, অন্য হাতে স্টিয়ারিং: লাখাইয়ে ঝুঁকিতে যাত্রীজীবন Logo চুনারুঘাটে বিরল লজ্জাবতী বানর উদ্ধার Logo আগামী সপ্তাহে খুলছে ভারতের ভিসা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা Logo কারাগার থেকে বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন Logo নারী শিক্ষার প্রসারে বুল্লা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত ও সরকারি করার দাবি Logo পুনর্বহালের এক মাস পর পদোন্নতি, বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন কোহিনূর মিয়া Logo সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা জারি Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়ে নতুন ভাবনা সরকারের Logo আইন, গুম কমিশনসহ ৭টি অধ্যাদেশ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন: আইনমন্ত্রী

সুর নরম আইসিসির

স্পোর্টস ডেস্ক:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও বিশ্বকাপের সংবাদ কাভারের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন দেয়নি বিশ্ব ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ক্রিকেটাঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা চললেও বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিষয়ে নিজেদের অবস্থানে সুর নরম করতে যাচ্ছে আইসিসি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন বাতিল করা হয়েছে—এমন দাবি ওঠার পর আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনছে সংস্থাটি।

আইসিসি সূত্রের বরাতে পিটিআই জানায়, আবেদনের সংখ্যা ও সূচিতে পরিবর্তনের পর পুনরায় অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ৮০ থেকে ৯০ জন সাংবাদিক মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছেন। তবে প্রতিটি দেশের জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকায় ৪০ জনের বেশি সাংবাদিককে কার্ড দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সব আবেদনকারী অনুমোদন পাবেন না। কারা কার্ড পাবেন, তা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভারেজের সুযোগ না দেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আইসিসির কাছে ই-মেইল করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ বিষয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা জানতে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো দেশের দল অংশগ্রহণ না করলেও সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট কাভার করার সুযোগ থাকা উচিত। অতীতেও বাংলাদেশ অংশ না নিলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দেশের সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

এখন শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

error:

সুর নরম আইসিসির

আপডেট সময় ০৮:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও বিশ্বকাপের সংবাদ কাভারের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন দেয়নি বিশ্ব ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ক্রিকেটাঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা চললেও বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিষয়ে নিজেদের অবস্থানে সুর নরম করতে যাচ্ছে আইসিসি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন বাতিল করা হয়েছে—এমন দাবি ওঠার পর আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনছে সংস্থাটি।

আইসিসি সূত্রের বরাতে পিটিআই জানায়, আবেদনের সংখ্যা ও সূচিতে পরিবর্তনের পর পুনরায় অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ৮০ থেকে ৯০ জন সাংবাদিক মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছেন। তবে প্রতিটি দেশের জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকায় ৪০ জনের বেশি সাংবাদিককে কার্ড দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সব আবেদনকারী অনুমোদন পাবেন না। কারা কার্ড পাবেন, তা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভারেজের সুযোগ না দেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আইসিসির কাছে ই-মেইল করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ বিষয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা জানতে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো দেশের দল অংশগ্রহণ না করলেও সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট কাভার করার সুযোগ থাকা উচিত। অতীতেও বাংলাদেশ অংশ না নিলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দেশের সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

এখন শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।