ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন Logo ঈদের আগে উপজেলা, পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ Logo মানবতার সেবায় ‘সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’: মৌলভীবাজারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোঃ সোহেল রানা Logo চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন ভাড়াটিয়া বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, দুই শিক্ষিকার বাসা তছনছ Logo মাধবপুরে পুলিশের মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগায় রিকশাচালক আটক, পরে হস্তক্ষেপে মুক্তি

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

error:

তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে নিরপরাধ মানুষকে পুলিশের গ্রেফতার আইন ও সংবিধান পরিপন্থী – সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান

আপডেট সময় ১১:৫১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অতি উৎসাহী হয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের নামে পুলিশ যে হারে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করছে তা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। মজলুম সাংবাদিক ও কলামিস্ট অলিউল্লাহ নোমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “যাদের নাগরিকত্ব আছে, যাদের ন্যাশনাল আইডি রয়েছে, সবাই এদেশের মালিক। রাষ্ট্রের মালিক হলেন জনগণ। কিন্তু মালিকের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রভুর মত আচরণ করছে। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে পূর্বের মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী। পুলিশকে এমন আচরণ থেকে বিরত রাখতে না পারলে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদি চরিত্র বদলাবে না। পুলিশ এবং আদালত মিলেই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এখনো সেই চরিত্র বহাল রয়েছে। এই চরিত্র বদলাতে না পারলে ২০২৪-এ জুলাইয়ের রক্ত বৃথা যাবে। সবশেষ কথা হচ্ছে, আমরা ইনসাফের বাংলাদেশ চাই। যেখানে শত্রুদের সাথেও ইনসাফ করা হবে। সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে।”

নোমান আরও লিখেছেন, “পুলিশ এখনো ফ্যাসিবাদি সিস্টেমে চলছে। নিরীহ মানুষকে আটক করে পুরাতন মামলায় (এফআইআর-এ নাম না থাকার পরও) গ্রেফতার দেখানো এবং জামিনের পর বেআইনি আটক রেখে ভৌতিক মামলায় জেল থেকে বেক হতে না দেওয়া। এই কাজগুলো করেই পুলিশ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদি বানিয়েছিল। এই তরিকাই এখনো পুলিশ বহাল রেখেছে। ঘুরে ফিরে আমরা এখনো আইনের শাসন থেকে অনেক দূরে। ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশ মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো সম্ভব নয়। আগে প্রয়োজন ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশের কাজ আইনের আওতায় আনতে হবে।”

উল্লেখ্য, মজলুম সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের নিজ উপজেলা মাধবপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে থানায়। ১৯/৯/২০২৪ তারিখে ৩০ নং মামলায় এজাহার নামীয় আসামী ছিলেন ৪৬ জন। ওই মামলায় চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জসহ প্রায় ৬০ জনের অধিক আসামী হিসেবে হাজতে আছে। তন্মধ্যে এজাহার নামীয়দের চেয়ে তদন্তে সন্ধিগ্ধের সংখ্যাই অত্যাধিক।