
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্যক্তিগত বিরোধের কোনো আলামত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত মিলছে। শুরু থেকেই সব সংস্থার সমন্বয়ে ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
ডিবি প্রধান জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে প্রযুক্তিগত ও মাঠপর্যায়ের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মোটরসাইকেল, কললিস্ট ও আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন আলামত যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজনদের কেউ কেউ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে প্রতিটি তথ্য যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একাধিক ব্যক্তি নজরদারিতে রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারাও জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সহযোগীদের শনাক্তে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। সীমান্ত ও বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। পরে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























